গ্রামে প্রবেশ করার রাস্তা বেহাল,অসুস্থ রোগীকে খাটিয়াতে করে নিয়ে যাওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায়  ভাইরাল

তন্ময় মাহারা: মালদা:-

গ্রামে প্রবেশ করার রাস্তা বেহাল। বর্ষার সময় আরও ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি হয়। এই পরিস্থিতিতে অসুস্থ রোগীকেখাটিয়াতে করে কাঁধে ঝুলিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ডাক্তার দেখাতে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি ভাইরাল।আদিবাসী অধ্যুষিত মালদার হবিবপুরের মেস্তর পাড়া গ্রামের ঘটনা।একই চিত্র দেখা দিয়েছিল কয়েক মাস আগে মালদার বামন গোলা এলাকায় ঠিক তারপরই হবিবপুর।
বারবার পঞ্চায়েতে জানিও কোন লাভ হচ্ছে না জানালেন স্থানীয় হবিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা।শনিবার সকাল বেলা হবিবপুর ব্লকের হবিবপুর অঞ্চলের মেস্তরপাড়ায় রোগীর নাম কানু হেমব্রম ৭০ বৃদ্ধকে প্রচন্ড পেটে ব্যথার জন্য পরিবারের সদস্যরা ও গ্রামবাসীরা পাশের গ্রাম লৈইবাড়ীতে খাটিয়াতে করে হাতুড়ি ডাক্তারকে দেখাতে নিয়ে যাওয়ার সময় এইভাবে খাটিয়াতে করে নিয়ে যান । বেহাল রাস্তার উপর দিয়ে,,, তারা জানিয়েছেন কোনো গাড়ি, টোটো , এমনকি এম্বুলেন্সো বর্ষার সময় আসতে চায় না। একটু বৃষ্টিতেই জল জমে যায় । রাস্তার কারণে ঢোকেনি তাই তারা খাটিয়াতে করে নিয়ে যান রোগীকে চিকিৎসা করার জন্য, খাটিয়াতে করে রোগীকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাবার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া ভাইরাল l
গ্রামবাসীরা জানান আজ থেকে দশ বছর আগেও এই রাস্তা খারাপ হওয়ার জন্য খাটিয়া করে হাসপাতালে চিকিৎসা করতে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনজন রোগীর মৃত্যু ঘটেছিল তখনো প্রশাসন বা রাজনৈতিক দলের জনপ্রতিনিধিদের টনক নড়েনি lভোট আসলে ই রাজনৈতিক দলগুলি নেতাগুলি এই রাস্তার পাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বহুবার দেয়, এবারও দিয়েছিল কিন্তু ভোট চলে যাওয়ার পর আর তাদের এলাকায় দেখা যায় না। আমাদের দাবি অবিলম্বে এই রাস্তা হোক ।এলাকার তৃণমূলের পঞ্চায়েত মেম্বার সাহেব টুডু ঘটনাটা সত্যতা স্বীকার করেছেন তিনি বলেছেন রাস্তা বেহাল অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে পড়ে রয়েছে তিনি পঞ্চায়েত থেকে ব্লক প্রশাসন সবাইকে বলেছেন কিন্তু রাস্তার কাজ হয়নি। খাটিয়া করে অসুস্থ এক বৃদ্ধকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখেছেন তবে এই রাস্তার জন্য এলাকার বিধায়ক এলাকার সাংসদ থেকেও কোনো রকম অর্থ বরাদ্দ হয়নি, গ্রামবাসীদের সাথে তিনিও এই রাস্তার দাবী জানাচ্ছেন

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *