কাজল মিত্র: সালানপুর:- সালানপুর ব্লকের অন্তর্গত অরবিন্দ নগর এর ৭ নম্বরের বাসিন্দা ৭০ বছর বয়সী নারায়ন চন্দ্র সেনগুপ্ত নিজের বাড়িতেই সিলিং ফ্যান এর মধ্যে বিছানার চাদরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।তিনি চিত্তরঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানার অবসর প্রাপ্ত কর্মী ছিলেন।পরিবারে তিন কন্যা ও স্ত্রী নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে বসবাস করে আসছেন তিনি ।তবে তার একমেয়ের বিয়ে দিয়েছেন।
কিন্তু তার স্ত্রীর নাম এলেও ২০০২ এর ভোটার তালিকায় তার নাম ও তার দুই মেয়ের নাম না থাকার কারনে তাকে নির্বাচন কমিশনের ডাকে আগামীকালএস আই আর এর শুনানি তে ডেকে পাঠানো হয়েছে ।
তবে তিনি জানতে পারেন তার কাছে থাকা এডমিট কার্ড ও পি ইএফ পেনশন বুক ও যথাযথ নথি নয় এইসব গরমিলের মধ্যে চাপের মধ্যে পড়েন আর তিনি আতঙ্কিত হয়ে চাপ সহ্য করতে না পেরে অঘটন ঘটিয়ে ফেলেন । তার এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে এলাকার মানুষ এই ধরনের ঘটনা কোনমতে মেনে নিতে পারছেন না।
এদিন বিধায়ক তথা আসানসোলের মেয়র বিধান উপাধ্যায় জানান যে ঘটনা ঘটেছে তা দুঃখ জনক ঘটনা।এই ঘটনার মূল কারণ নির্বাচন কমিশনার কারন তাদের গাফিলতির কারণেই রাজ্যে বহু জীবন নষ্ট হচ্ছে। এই এস আই আর প্রক্রিয়া যদি করারই থাকতো তাহলে ছয় মাস আগে থেকে কেন করানো হয়নি। সাধারণ মানুষকে কিছুটা সময় দেওয়া প্রয়োজন ছিল ।এই এস আই আর এর ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাড়িয়ে থাকছে বয়স্ক মানুষ।এতে বিজেপি সরকার ও নির্বাচন কমিশনার বয়স্ক মানুষদের বারবার হয়রানি করছে। 2002 এর লিস্ট যাদের নাম রয়েছে তাদেরকেও বারবার ডেকে হয়রানি করা হচ্ছে ।এটা সম্পূর্ণ বিজেপির একটা চক্রান্ত যাতে করে তৃণমূলের ভোটারকে বাদ দেওয়া যায় ।তবে এসব করে কিছুই হবেনা বিজেপি যতই বাংলায় চক্রান্ত করুক জিতবে বাংলা জিতবে আমাদের নেত্রী মমতা ব্যানার্জি।
এবিষয়ে সালানপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি বিজয় সিং জানান যে এটা দুঃখজনক ঘটনা।মানুষ চাপে মারা যাচ্ছে এস আর আর এর চাপে মানুষ মারা যাচ্ছে।

সালানপুর ব্লকের অরবিন্দ নগরে যে ব্যক্তি মারা গেছেন তিনি ৭০ বছরের ছিলেন ।সাধারণ মানুষকে বিপদে ফেলছে আর এর চাপে মানুষ মারা যাচ্ছে । এর দায়ী বিজেপিকে নিতে হবে। তারা যে ঘুরে ঘুরে ভাঁওতা বাজি করছে সেটা তার বাড়িতে গিয়ে দেখুক কি অবস্থা।আর এইসবের জন্যে ইলেকশন কমিশনার ও বিজেপির বিরুদ্ধে এফআইআর পর্যন্ত করা দরকার।বিজেপি যতই নাম কাটুক জিতবে বিধান উপাধ্যায় জিতবে দিদি।