বিলি করা হলো দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদানের চেক

রিমা ঘোষ, আমতা, হাওড়া -: 

        মাঝে মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। শুরু হতে চলেছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। শুধু এদেশে নয় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বাঙালিরা মেতে উঠবেন এই উৎসবে। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে অন্য সম্প্রদায়ের মানুষও এই উৎসবে যোগ দেন। শুধু আনন্দ নয়, এরসঙ্গে জড়িয়ে আছে বিপুল পরিমাণ অর্থনীতি যা এই রাজ্যের অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। সেদিকে লক্ষ্য রেখে রাজ্য সরকার ২০১৮ সাল থেকে রাজ্যের দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে সরকারি অনুদান দেওয়া শুরু করে। শুরুটা হয়েছিল ১০ হাজার টাকা দিয়ে এবং এইবছর তার পরিমাণ হয়েছে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। এলাকায় কোন কোন পুজো কমিটি অনুদান পাবে সেগুলি ঠিক করার ক্ষেত্রে স্থানীয় থানাগুলি যেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে তেমনি অনুদানের চেক বিলি তাদের হাত ধরেই হয়।

      হাওড়া জেলার আমতা  থানার উদ্যোগে একটি বেসরকারি হলে একটি ছোট্ট সমন্বয় সভা ও চেক বিলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে থানার ৭১ টি পুজো কমিটির হাতে দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে সরকারি অনুদানের ‘চেক’ তুলে দেওয়া হয়। 

            চেকগুলি তুলে দেন স্থানীয় বিধায়ক ডাঃ নির্মল মাঝি, আমতা গ্রামীন সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অদ্রিজা সমাদ্দার, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি জয়শ্রী বাগ,  সিআই অমিয় কুমার ঘোষ, আমতা থানার আধিকারিক মফিজুল আলম, উলুবেরিয়া উত্তর কেন্দ্রের সভাপতি বিমল দাস এবং আমতা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মল্লিকা সাউ সহ অন্যান্যরা। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সৈকত ঘোষ। 

       এর আগে বিধায়ক থেকে শুরু করে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা পুজোর আনন্দ যাতে নিরানন্দে পরিণত নাহয় সেদিকে নজর দেওয়ার জন্য প্রত্যেক পুজো কমিটিকে বেশ কিছু পরামর্শ দেন। যেসব জায়গায় ভিড় বেশি হয় সেখানে সিসি ক্যামেরা বসানোর জন্য অনুরোধ করেন এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানোর জন্য সারারাত ধরে স্বেচ্ছাসেবক রাখার কথা বলেন। পাশাপাশি যেকোনো সমস্যায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। পুজো যাতে প্রকৃত অর্থে আনন্দ উৎসবের রূপ ধারণ করে তারজন্য প্রত্যেককে সতর্ক থাকতে বলা হয়।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *