শ্রী র জ ত (কলকাতা)

যযাতির কাছে ভিক্ষা নিয়ে আসি
তাঁর ক্ষয়িষ্ণু যৌবন,
আম্রপালির ঠোঁটে পলাশের ঢেউ,
আম্রপালির দেহে দূরন্ত ঝাউবন…।
নিভন্ত বেদনাময় শালিকের গান
বৌদ্ধনগরীর তীব্র বীতরাগে….
সন্যাসীর উদাসীনতায় বেদনা হয়ে মিশে তুমি শান্ত কমুন্ডলে…
আমাকে স্পর্শ দিয়ে ভস্ম করে দাও,
না হয় আলিঙ্গন দিয়ে বুদ্ধ করে নাও…।
শ্মশানের গঙ্গা ঘাটে লোলচর্মা বৃদ্ধের মত
তৃষিত বাষ্প বুকে নিয়ে
নিভন্ত চিতার দিকে তাকিয়ে শৈশবের কথা ভাবি..
দূরন্ত জীবন্ত এক ঈগলের শৈশব ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখি-
অভিশপ্ত যযাতি আমি,
নতজানু হয়ে বসে..
আমাকে স্পর্শ দিয়ে আগুন নেভাও!
নগর নটিনী ঠোঁটে পলাশের ঢেউ,
নগর নটিনী দেহে দূরন্ত ঝাউবন!
তারা খসে পরে,
হঠাৎ চেতনা বলে এ তো প্রেম নয় এ যে লালসা
স্পর্শ দিওনা প্রিয়ে, নদীকে শান্ত হতে দাও
এ নদীর বালুচরে যযাতির তৃষিত যৌবন
স্পর্শ দিওনা তুমি দূরন্ত ঝাউবন।