লহাট কালী মন্দিরের সামনে ফের ভয়াবহ ধস, পুনর্বাসনের দাবিতে ডাবর কলিয়ারী এর উৎপাদন ও পরিবহণ বন্ধ করে বিক্ষোভ স্থানীয়দের

লহাট কালী মন্দিরের সামনে ফের ভয়াবহ ধস, পুনর্বাসনের দাবিতে ডাবর কলিয়ারী এর উৎপাদন ও পরিবহণ বন্ধ করে বিক্ষোভ স্থানীয়দের

কাজল মিত্র, সালানপুর:-পশ্চিম বর্ধমান জেলার সালানপুর ব্লকের সামডি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার লহাট কালীমন্দিরের পেছনে বিশাল ভয়াবহ ধস।এবার ধস নেমেছে গ্রামের প্রায় ৩০০ বছরের প্রাচীন ‘লহাট’ কালী মন্দিরের ঠিক সামনে। এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়ে লহাট গ্রামবাসীরা। নিজেদের নিরাপত্তা এবং স্থায়ী পুনর্বাসনের দাবিতে রবিবার বিকেল থেকেই ইসিএলের(ECL)কয়লা খনির উৎপাদন ও পরিবহণ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই সামডির এই বিস্তীর্ণ এলাকা ধসপ্রবণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গতকাল দুপুরে শতাব্দী প্রাচীন কালী মন্দিরের পেছনের একাংশ হঠাৎ করেই ধসে যায়।মন্দির হেলে পড়ে এবং মন্দিরের পিলার সহ দেওয়ালে ফাটল ধরে ।তাছাড়া মন্দিরের পাশেই রয়েছে শ্মশান ঘাট, ধসের ফলে সেই এলাকাটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এই ঘটনায় গোটা গ্রাম জুড়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বাসিন্দাদের দাবি, যে কোনো মুহূর্তে বড়সড় বিপর্যয় ঘটে প্রাণহানি হতে পারে।
এদিন বিক্ষোভে শামিল হয়ে গ্রামবাসী তথা স্থানীয় তৃণমূল নেতা জনার্ধন মণ্ডল ইসিএল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ তোলেন। তিনি জানান এর আগে একাধিকবার ইসিএল আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়েছে। বারাবনি বিধায়ক বিধান উপাধ্যায় মহাশয় এর সামনেও কর্তৃপক্ষ বারবার পুনর্বাসনের আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি।৩০০ বছরের পুরনো মন্দির এবং শ্মশান ঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গ্রামবাসীদের আবেগ ও নিরাপত্তা—উভয়ই আজ সংকটে।
“অবিলম্বে পুনর্বাসন চাই”—এই একদফা দাবিতে খনির কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের সাফ কথা, যতক্ষণ না পর্যন্ত ইসিএল কর্তৃপক্ষ স্থায়ী ও নিরাপদ পুনর্বাসনের লিখিত প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে এবং কাজ শুরু করছে, ততক্ষণ উৎপাদন ও পরিবহণ বন্ধ থাকবে।
তবে এবিষয়ে ইসিএল কর্তৃপক্ষের জি এম ধর্মেন্দ্র সিং কে ফোন এর মারফত যোগাযোগ করে হলে তিনি জানান তার এই বিষয়ে জানানেই তবে ডাবর কলিয়ারি ম্যানেজার বিকাশ প্রসাদ এর কাছে জানার জন্যে কিন্তু বিকাশ প্রসাদ কে ফোন করা হলে তিনি জানান যে তিনি দুই দিনের ছুটিতে আছেন।
তাছাড়া এজেন্ট অফিসে গিয়ে দেখা গেল তালা দেওয়া অফিসের কোন কর্মী নেই ।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *