মধুছন্দা গাঙ্গুলী (কলকাতা)

যাকে আমি খুঁজেছিলাম কত বছর ধরে…
সেই তো তুমি এলে ওগো এতো বছর পরে,
তোমার পরশে ফুটলো মন, শান্ত হলো দগ্ধ কায়া,
যেখানে তাকাই সেখানেই দেখি, স্নিগ্ধ মেঘের ছায়া।
মনে হয় আকাশের চাঁদ নেমে এলো বুঝি আমার এই হাতে,
আলোর কাছে আজ নিশি হার মানে, ছেয়ে যায় উজ্জ্বল প্রভাতে।
তপ্ত বালুকারাশির শুষ্ক মরু, আজ হলো যেন সবুজ বনভূমি…
আমার আঙিনায় এলে ওগো কবিতা , আমি আজ তোমাকে চুমি।
কখনও তুমি বিরহ বেদনার আগুনে জ্বালাও আমার প্রাণ..
কখনও আবার মিলনের ভাবে ভরে দাও প্রেমের ঘ্রাণ।
মনের আবেশে কথা বলো তুমি , হৃদয় ওঠে হেসে হেসে…
কথার মালাগুলি সাজিয়ে তুলি, ছন্দে যায় ভেসে ভেসে।
গহন নিশীথে চুপি চুপি এলে আমার এই কল্প লোকে,
ছন্দের মোড়কে জড়ালে আমায় , চেনালে আমার প্রকৃতিকে।
আকাশের দেহ আজ সোনার বরণ,চারিদিক রাঙানো সাবিতা,
রশ্মির ঝলকে তোমাকে চিনেছি গো, তুমিই যে আমার কবিতা।
কত রসধারা ঢেলে দিলে তুমি,আমার লেখার সুরগানে ,
তোমার উৎস কোথায় শুরু,কোথায় বা শেষ কে জানে!
কত যে স্নিগ্ধ শান্ত রূপ তোমার অঙ্গে অঙ্গে ঝরে…
তোমাকে পাবার আকুল এ মন, এসো আমার হৃদয়ের ঘরে।
আমার স্বপ্নে এসে,মনের কলমে ভেসে, ছন্দে ছন্দে যখন কথা বলো…
ছন্দ সরস্বতী , নিয়ে দুরন্ত গতি, আমার কবিতার শুভ বাতি জ্বালো।