উপভোক্তা বিষয়ক ও ন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলন অধিকরেন উদ্যোগে সচেতনা কর্মসূচি

বাইজিদ মন্ডল: মগরাহাট:- কেনা কাটার সময় কি কি সতর্কতা অবলম্বন করলে ঠোকর আশঙ্খা কম থাকবে,অথবা যদি ঠকে যান,কোথায়,কিভাবে কি কি প্রতিবিধান দাবি করা যাবে? সেই সব বিষয় নিয়ে পশ্চিম বঙ্গ সরকারের দক্ষিন ২৪ পরগনা জেলার উপভোক্তা বিষয়ক ও ন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলন অধিকরনের উদ্যেগে মগরাহাট কলেজ ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে এক সচেতনা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।এদিন উদ্বোধনী সঙ্গীতের মধ্যে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়।এখানে উপস্থিত ছিলেন মগরাহাট কলেজের প্রিন্সিপাল ড: আশীষ পুখোপাধ্যায়,পশ্চিম বঙ্গ সরকারের কনসুমার ওয়েলফেয়ার অফিসার স্নিগ্ধা দাস, মগরাহাট এক এবং দুই ফলতা ব্লক পশ্চিম বঙ্গ সরকার ফুড সেফটি অফিসার ফাহমিদা হোসেন, এল আই সি আই ডেভেলপমেন্ট অফিসার রিয়া ব্যানার্জি,ডি সি পি সি মেম্বার গোপাল চন্দ্র মন্ডল, এছড়াও বহু ছাত্র ছাত্রী সহ আরো অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ।কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ভোক্তা অধিকার ও ন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলন বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মসূচি নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের অধিকার সম্পর্কে জানতে পারবে এবং বাজারে নিজেদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হবে বলে জানান পশ্চিম বঙ্গ সরকার ফুড সেফটি অফিসার ফাহমিদা হোসেন।এই সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে যা যা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে,ভোক্তা অধিকারের মৌলিক বিষয়গুলি,গুণমান,পরিমাণ, বিশুদ্ধতা, এবং দাম সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়ার অধিকার। সুরক্ষার অধিকার, অর্থাৎ এমন পণ্য বা পরিষেবা থেকে নিজেকে রক্ষা করার অধিকার যা জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর সেই বিষয়ে তুলে ধরেন ফুড সেফটি অফিসার ফাহমিদা হোসেন। পণ্য বা পরিষেবা কেনার আগে ভালোভাবে যাচাই করার অধিকার,অভিযোগ করার এবং প্রতিকার পাওয়ার অধিকার। এবং ন্যায্য বাণিজ্য,পণ্যের দাম, গুণমান, এছড়াও অন্যান্য শর্তাবলী সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রদান করেন পশ্চিম বঙ্গ সরকার কনসুমার ওয়েলফেয়ার অফিসার স্নিগ্ধা দাস। অনুপযুক্ত বা ক্ষতিকর পণ্য বিক্রি না করা। উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানোর পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন তিনি। অভিযোগ জানানোর জন্য প্রয়োজনীয় ফর্ম এবং অন্যান্য নথি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া। মামলা করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, যেমন প্রমাণপত্র,বিল, ইত্যাদি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত আলোচনা করেন স্নিগ্ধা দাস।বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতারণা থেকে বাঁচার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।এই ধরনের কর্মসূচি ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করবে এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। এটি তাদের একটি দায়িত্বশীল ভোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে বলে জানান এই কর্মসূচির পরিচালক ডি সি পি সি মেম্বার গোপাল চন্দ্র মন্ডল।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *