এস আই আরের জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম পেয়েও হতাশ এক প্রাক্তন সেনা কর্মী

সুলেখা চক্রবর্তী,শ্যামপুর, হাওড়া:- এস আই আরের জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম পেয়েও হতাশ এক প্রাক্তন সেনা কর্মী। জানা গিয়েছে ২০০২ ভোটার লিস্টে তার  নাম নেই কিন্তু ২০২৫ এর ভোটার লিস্টে তার নাম রয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই এস আই আরের জন্য নির্ধারিত ফর্ম তিনি পেয়েছেন। রয়েছে ভোটার কার্ড। রয়েছে সেনা বাহিনীর ব্যাজ ,পেনশন বুক সহ সবকিছুই। সবচেয়ে বড় বিষয় তাঁর স্ত্রী সহ পরিবারের সকলের কোন সমস্যা নেই। আর ২০০২ সালের লিষ্টে নাম না থাকায় ভোটার তালিকায় নাম থাকবে কিনা তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন ৭৮ বছর বয়সী এক প্রাক্তন সেনা কর্মী।তবে জানা গিয়েছে ২০০২ এ নাম না থাকলেও যেহেতু ২০২৫ এর তালিকায় নাম রয়েছে তাই এপিক নং এর কলম সহ কয়েকটি কলম বাদ দিয়েই জমা দিয়েছেন ফর্ম।আর এক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে জটিলতা।ওই সেনা কর্মীকে নিয়ম অনুযায়ী শুনানির মুখোমুখি হতে হবে বলে ওয়াকিবহাল মহলের অভিমত-    যা একজন প্রাক্তন সেনা কর্মীর ক্ষেত্রে বিড়ম্বনার সামিল।তবে কি আবার নতুন করে ভোট তুলতে হবে ?-এই প্রশ্ন ই দিনরাত ঘুরপাক খাচ্ছে ৭৮ বছর বয়সী প্রাক্তন সেনা কর্মীর মাথায়। জানা গিয়েছে বিষয়টি উঠে এসেছে শ্যামপুর দুই ব্লকের খাড়ুবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের গোবিন্দপুর গ্রামে।অংশ নং ২৬১।বলাই চক্রবর্তী নামের ওই প্রাক্তন সেনা কর্মী তাই হতবাক হয়ে গিয়েছেন এই তথ্য বিভ্রান্তিতে। আরো জানা যায় যে ১৯৬৭ সালে তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।চীন সীমান্তে ডিউটি ও করেছেন সেই সময়ে।পরে ১৯৮৮ সালে অবসর নিয়ে এক্স মিলিটারি রুলে দেশের কয়েকটি জায়গায় কাজ ও করেন।২০০২ সালে পাকাপাকি ভাবে অবসর নেন। যদিও চাকরী চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে পোষ্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তিনি ভোট দিয়েছেন বলে জানান।২০০২ সালের পর  থেকেই নিজে বুথে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের ভোটে ভোট ও দেন। কিন্তু কিভাবে ২০০২ সালের ভোটার লিস্ট থেকে তার নাম উধাও হয়ে গেল তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। আর আতান্তরে প্রাক্তন সেনা কর্মী বলাইবাবু।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *