গোবিন্দ পুরে ১০ দিনের রাস উৎসবের উদ্বোধনে উপস্থিত ফিল্ম ডিরেক্টর, অভিনেত্রী সহ বিশিষ্টজনেরা

বাইজিদ মন্ডল: ডায়মন্ড হারবার:- দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলার ডায়মন্ড হারবার দুই নম্বর ব্লকে ১০ দিন ব্যাপী ঐতিহাসিক গোয়ানারা গোবিন্দপুর কালীচরন হাইস্কুল মাঠে রাস উৎসব মেলার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গোয়ানারা গোবিন্দপুর রাস উৎসব কমিটির সভাপতি অরুময় গায়েন। এদিন প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও ফিতে কেটে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই রাস উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা।এখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক পান্নালাল হালদার ও মন্ত্রী দিলীপ মন্ডলের আপ্তসহায়ক অরূপ দাস। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দুই নম্বর ব্লকের পঞ্চেত সমিতির সভাপতি লায়লা বিবি,সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি রফিক মোল্লা,বিশিষ্ট পরিচালক শিবপ্রসাদ রায়,বিশিষ্ট বাংলা চলচ্চিত্র অভিনেত্রী সোমা, অভিনেত্রী ইরানি মুখার্জি,অভিনেত্রী মৌসুমী দাস, অভিনেত্রী অন্বেষা,অভিনেত্রী শর্মিষ্ঠা মুখার্জি,জেলা পরিষদের সদস্য বিমলেন্দু বৈদ্য,শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি হাসিবুল মোল্লা,পঞ্চায়েত প্রধান ধ্রুব জ্যোতি দলপতি,উপ প্রধান ধীরাজ কয়াল। রাস উৎসব কমিটির সম্পাদক মিঠুন পাইক,সম্পাদিকা মিনা কয়াল,সেলিম শেখ,অরিন্দম ঘোষ সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ প্রমুখ।

উদ্বোধনী বক্তৃতায় প্রধান অতিথি বিধায়ক পান্নালাল হালদার বলেন, “গোবিন্দপুরে রাস উৎসব শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সামাজিক সম্প্রীতির প্রতীক। এই উৎসব কেবল পূজা নয়, বরং আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে জীবন্ত রাখার এক অনন্য প্রয়াস।

উৎসবে অংশগ্রহণকারী বিশিষ্ট পরিচালক শিব প্রসাদ রায় ও অভিনেত্রীরা তারা সকলে জানান, প্রতি বছর মেলার মাধ্যমে কেবল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানই নয়, স্থানীয় অর্থনীতি, সামাজিক মিলন ও সাংস্কৃতিক চর্চা শক্তিশালী হয়। এই রাস উৎসব এর সভাপতি অরুময় গায়েন জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ও আমাদের প্রিয় সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় এমন রাস মহা মিলন উৎসব উদযাপন করতে সক্ষম হয়েছি। 

এই মেলায় থাকবে পূজা-অর্চনা, কীর্তন, নৃত্য, স্থানীয় শিল্পকর্ম, হস্তশিল্প ও পিঠাপুলি। শিশু ও কিশোরদের জন্য রয়েছে নাগরদোলা ও অন্যান্য বিনোদনের ব্যবস্থা। সন্ধ্যায় পূজা মণ্ডপ প্রাঙ্গণ রঙিন আলোকসজ্জায় ঝলমল করবে।

তিনি আরো জানান, এই রাস উৎসব পাঁচ বছর ধরে এটি ধারাবাহিকভাবে পালিত হয়ে আসছে। এই উৎসব ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ঐক্যের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মেলার শুরুতে উপস্থিত অতিথিরা সকলকে উৎসবকে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহীভাবে উদযাপনের আহ্বান জানান।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *