চলমান কালীমূর্তি তৈরি করে চমকে দিলেন গুসকরার শিক্ষক

জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী, গুসকরা, পূর্ব বর্ধমান-:

       এতদিন বিভিন্ন এলাকার কালীপুজো বা চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর সময় দর্শনার্থীরা আলোর কারসাজি দেখে চমকে গেছেন। বারবার ছুটে গেছেন সেইসব জায়গায়। কিন্তু এখানে নাই  লেজার আলোর কারসাজি অথবা ব্যবহার করা হয়নি কোনো ‘ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস’। অথচ দিব্বি সবার চোখের সামনে, অল্প সময়ের জন্য হলেও, হেঁটে বেড়াচ্ছে কালীমূর্তি! দেখলেই চমকে যেতে হবে। জনসম্মুখে না এলেও ইতিমধ্যে এই চলমান কালীমূর্তির কাহিনী লোকমুখে এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। সম্ভবত এবার এটাই হতে চলেছে গুসকরা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দাদের কাছে কালীপুজোর অন্যতম আকর্ষণীয় বিষয়। 

       গুসকরা শিরিষতলা সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা পেশায় শিক্ষক নেশায় শিল্পী তপন বাবু এই কালীমূর্তিটি তৈরি করতে ব্যবহার করেছেন ব্যবহৃত ঔষধের খালি প্যাকেট, জামা কাপড় রাখার নতুন কাগজের বাক্স, পুরনো কাপড়ের টুকরো। বাজার থেকে কিনে এনেছেন চুল, আঠা সহ অন্যান্য সামগ্রী। তারপর একটানা ২২ দিন ধরে কঠোর পরিশ্রম করে সাত ফুট লম্বা এই চলমান কালীমূর্তি তৈরি করেছেন। জানা যাচ্ছে এই চলমান কালীমূর্তিটি গুসকরা শিরীষ তলা বয়েজ ক্লাবের মণ্ডপে প্রদর্শনীর জন্য রাখা থাকবে।    

        প্রসঙ্গত এর আগে বিভিন্ন সময়ে পরিত্যক্ত জিনিসপত্র দিয়ে তপন বাবু পুরীর জগন্নাথ মন্দির, কোনারকের সূর্য মন্দির ইত্যাদির আদলে বেশ কিছু দর্শনীয় প্রতিকৃতির পাশাপাশি কালী, দুর্গা, সরস্বতী ইত্যাদি ঠাকুর দেবতার প্রতিকৃতি তৈরি করে সবার নজর কেড়েছেন।

       তপন বাবু বললেন, বাড়ির ফেলে দেওয়া জিনিসপত্র দিয়ে অবসর সময়ে আমি এইসব কাঠামো তৈরি করি। আমার খুব ভাল লাগে।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *