চিত্তরঞ্জনে রেল শহরের হায়নার আক্রমনে আহত এক ব্যক্তি প্রশ্নের মুখে চিত্তরঞ্জন এর নিরাপত্তা ব্যাবস্থা

কাজল মিত্র: চিত্তরঞ্জন:- সম্প্রতি চিত্তরঞ্জন রেল শহর যেমন ভাবে চোর,দুষ্কৃতী দের প্রভাব বেড়েছে এবার বেড়েছে হিংস্র জীব জন্তুর।একদিকে যখন চিত্তরঞ্জন শহর সাজানো গোছানো ঝাঁ চকচকে করা হচ্ছে ঠিক তার অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে অন্য চিত্র। ঝাঁ চকচকে হলেও দুষ্কৃতী ও হিংস্র জীবজন্তু ঘুরে বেড়াচ্ছে যত্র তত্র।

আর এমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকলেন চিত্তরঞ্জন শহরের বাসিন্দা প্রাক্তন রেলকর্মী। 

জানাযায় যে সন্ধ্যে ছয়টা নাগাদ তিনি চিত্তরঞ্জন কেজি হাসপাতাল এর সামনে বাসস্ট্যান্ডে  নিজের বাড়ী  রুপনারায়ণপুর আসার জন্যে বাস ধরবে বলে দাঁড়িয়েছিলেন ।আর সেই সময় হঠাৎ করে কেউ তার পায়ে এসে কামড় বসায়।তিনি ভয় খেয়ে যান এবং সেখানে পড়ে যায় প্রথমে ভাবেন কোন কুকুর হবে কিন্তু পরে বুঝতে পারেন যে পূর্ণবয়স্ক এক হিংস্র হায়না তাঁর পায়ে কামড় দিয়েছেন ।

তিনি চিৎকার শুরু করেন এরপরের আশপাশের লোকজন ছুটে আসে তাড়ানোর চেষ্টা করে কোনপ্রকার ওই ব্যক্তি তার পা জোরে ঝটকা দিলে হায়নার মুখ থেকে নিজেকে প্রাণে বাঁচান ।এরপরেই হায়নাটি ছুটে জঙ্গলের দিকে পালিয়ে যায় ।স্থানীয়রা ওই আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যায় চিকিৎসার জন্যে আপাতত তিনি বিপদমুক্ত।

তবে সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলছে চিত্তরঞ্জন শহর কে সাজানো গোছানো হলেও রয়েছে নিরাপত্তার অভাব কখনও দুষ্কৃতীদের তান্ডব আবার কখনও হিংস্র পশুদের ।এতে ধীরে ধীরে যেভাবে অবৈধ আবাসন ভেঙে ফেলা হচ্ছে ঠিক সেই মত চিত্তরঞ্জন শহরের চাকুরী জীবীরাও অধিকাংশ নিজেদের আবাসন ছেড়ে রূপনারায়পুর কিংবা পাশের রাজ্যে মেহিজামে বসবাস করছে ।তারা সেখানে নিজেদের সুরক্ষিত মনে করেছেন না বলেই জানিয়েছেন।

চিত্তরঞ্জন শহরে নেই পর্যাপ্ত আলো, নেই সিসিটিভি,না রয়েছে  বনদপ্তরের সক্রিয় টহল, রেল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও বারংবার প্রশ্ন তুলছে সাধারণ মানুষ ।

চিত্তরঞ্জনের মতো একটি রেল শহরে যদি সন্ধ্যার পর মানুষ বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়াতে গিয়ে হায়নার আক্রমণের শিকার হন, তবে তা নিছক একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। আজ একজন প্রাক্তন রেল কর্মী প্রাণে বেঁচেছেন, কাল আরো কারো উপর আক্রমন হবেনা কে বলতে পারে ।সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *