টালিগঞ্জের গ্রাহামস রোডে ভ্যাটের মধ্যে থেকে যুবতীর মাথা উদ্ধারের ঘটনায় ডায়মন্ড হারবার বাসুল ডাঙ্গা পঞ্চগ্রাম থেকে আটক ১

বাইজিদ মন্ডল: ডায়মন্ড হারবার:– টালিগঞ্জের গ্রাহামস রোডে ভ্যাটের মধ্যে যুবতীর মাথা উদ্ধারের ঘটনায় ডায়মন্ড হারবারের পঞ্চগ্রাম থেকে ১ জনকে আটক করল পুলিশ। নিহত যুবতী মগরাহাটের বাসিন্দা। টালিগঞ্জের গ্রাহামস রোডে ভ্যাটের মধ্যে যুবতীর মাথা উদ্ধারের ঘটনায় শুক্রবার ডায়মন্ড হারবার বাসুল ডাঙ্গা পঞ্চগ্রাম এলাকা থেকে একজনকে আটক করল ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ। আটক আতিয়ার রহমান লস্কর পেশায় রং মিস্ত্রি। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, টালিগঞ্জের গ্রাহামস রোডে ভ্যাট থেকে উদ্ধার যুবতী পারুলিয়া কোস্টাল থানার কালিতলা মুড়াগাছা এলাকার বাসিন্দা খতেজা বিবি। বর্তমানে বেশ কিছু বছর তিনি মগরাহাট থানার রাধানগর কামদেব পুর পৈলান পাড়াতে বাপের বাড়িতে থাকতেন। পরিবার সূত্রে জানা যায় বাড়িতে তিনি দিনমজুর এর কাজ করত দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে থাকতো। দুই সন্তানকে নিয়ে সংসার চালাতে অসুবিধা হচ্ছে বলে জানান,সেই জন্য হঠাৎ করে কলকাতাতে পরিচারিকার কাজ করতে চলে যায়। খতেজা বিবির স্বামী জাহাঙ্গীর। বর্তমানে স্বামীর সাথে থাকতেন না তিনি। আটক হওয়া ব্যক্তি আতিয়ার রহমান লস্কর খতেজা বিবির সম্পর্কে জামাইবাবু। পরিবার সূত্রে জানা যায় প্রতি দিনের মত এদিন বৃহঃ প্রতিবারও কাজের জন্য সকালে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ে। প্রতিদিন বিকাল চারটায় বাড়িতে ফিরে আসে, এদিন সময় মতো বাড়িতে না ফিরে আসলে খোঁজ করতে শুরু করে পরিবারের আত্মীয় রা। এমন খবর শোনার পর চিন্তিত পরিবার তার পর স্থানীয় এলাকায় থানায় একটা মিসিং ডায়রি করে। এদিন থানা থেকে ফোন করে জানান মহিলার কাটা মাথা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। শরীরের বাকি অংশ এখনও পর্যন্ত খোঁজে পাওয়া সম্ভব হয় নি। এই নরকীয় ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করার পাশাপাশি দোষীকে উপযুক্ত শাস্তির দাবি করেন মৃত পরিবারের পক্ষ থেকে। পুলিশের সন্দেহ ডায়মন্ড হারবার বাসুল ডাঙ্গা পঞ্চগ্রাম থেকে মৃত মহিলার জামাই বাবু আতিয়ার রহমান লস্কর নামে এক ব্যক্তি কে গ্রেফতার করে ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ। মৃত পরিবারের পক্ষ থেকে জানা যায় আতিয়ার রহমান কয়েকমাস আগে খতেজা বিবি কে কলকাতায় পরিচারিকার কাজে লাগিয়ে দেন। তবে মৃত পরিবারের দাবি কোনো মতে মৃতের জামাই বাবু জড়িত নয়। এই মৃতের সঙ্গে কে বা কারা জড়িত তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *