বাইজিদ মন্ডল: ডায়মন্ড হারবার:- বছর ঘুরলেই ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই বিগত প্রায় সাড়ে ১৪ বছরের উন্নয়নের তালিকা নিয়ে পাঁচালি তৈরি করে তা পেশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই উন্নয়নের পাঁচালি নিয়েই ভোট যুদ্ধে নামতে শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। উন্নয়নের পাঁচালি নিয়ে এবার বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে যাবে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা। জনসংযোগ বৃদ্ধি করতে এই উন্নয়নের পাঁচালিকেই পাখির চোখ করছে তৃনমূল শিবির। এদিন ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা দলীয় পর্যবেক্ষক সামিম আহমেদ এর ব্যবস্থাপনায় ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা (সরিষায়) দলীয় কার্যালয়ের সরিষা সামনে উন্নয়নের পাঁচালীর শুভ উদ্বোধন করা হয়। এর পর থেকে ডায়মন্ড হারবার বিধানসভায় একে একে প্রত্যেক গ্রামে গ্রামে পোঁছে যাবে এই কর্মসূচি। এখানে উপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা র বিধায়ক পান্নালাল হালদার, ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা দলীয় পর্যবেক্ষক সামিম আহমেদ,ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী মনমোহিনী বিশ্বাস,দুই নম্বর ব্লকের সভাপতি অরুময় গায়েন,দুই নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি লায়লা বিবি,দুই নম্বর ব্লকের যুব সভাপতি অভিষেক ব্যানার্জি,পঞ্চায়েত প্রধান মইদুল ইসলাম সহ আরো অন্যান্য মহিলা সহ সকল নেতৃত্ব বৃন্দ প্রমুখ। ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার দলীয় পর্যবেক্ষক সামিম আহমেদ জানান, মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাসকে পাথেয় করে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলা আজ উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে। সেই প্রায় দেড় দশকের সাফল্যের কথাই তুলে ধরছে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’। তিনি আরো জানান, সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ের সামনে থেকে বিধানসভার সকল নেতৃত্বের উপস্থিতিতে, আমদের মহিলা নেতৃত্বরা এই উন্নয়নের বার্তা মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া শুরু করেছে। জনসংযোগ আরও শক্তিশালী করতে স্থানীয় মানুষের বাড়িতে বাড়িতে খাবার খেয়ে জনসংযোগ করার পাশাপাশি সভা করার কথা ভাবনা চিন্তা করছে স্থানীয় নেতৃত্বরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, 2026 বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের এই মহিলা কেন্দ্রিক কর্মসূচিগুলি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। 2011 সাল থেকে একাধিক জনমুখী প্রকল্প, বিশেষত ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ কন্যাশ্রী, রূপশ্রী’-র মতো প্রকল্পগুলির মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নারী ক্ষমতায়নের যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, সেই বার্তা আরও জোরদার ভাবে জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া ও রাজ্য সরকার যে উন্নয়ন করেছে সেগুলো সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা এই কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিধায়ক পান্নালাল হালদার। কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার যে মহিলাদের পাশে রয়েছে এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছে, সেই বিশ্বাস দৃঢ় করাই লক্ষ্য। এবার সেই অভিজ্ঞতার কথা রাজ্যের প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়াই এখন তৃণমূলের মহিলা সংগঠনের প্রধান লক্ষ্য বলে জানান মহিলা সভানেত্রী মনমোহিনী বিশ্বাস। এই কর্মসূচি সেই উদ্দেশ্যেরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
Posted inজেলার আপডেট