রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, ফাইনাল এক্সপোজার -:
ভোট ময়দানে এবার গ্ল্যামারের ছটা! পাণ্ডবেশ্বর ও জামুড়িয়া বিধানসভা কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচারে এসে কার্যত ঝড় তুললেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের তারকা প্রচারক ‘দিদি নম্বর ১’ রচনা ব্যানার্জ্জী। তাকে একঝলক দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে রাস্তায় ভিড় জমান কয়েক হাজার মানুষ।
এদিন হুডখোলা গাড়িতে অভিনেত্রীকে দেখা মাত্রই জনতার মধ্যে প্রবল উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে। রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মহিলারা হাত নেড়ে অভিবাদন জানান ‘দিদি নম্বর ১’-কে। অভিনেত্রীও হাসিমুখে হাত নেড়ে এবং হাত জোড় করে সকলের আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। জনতাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আপনারা যেভাবে ভালোবাসা দিচ্ছেন, তাতে আমি আপ্লুত। উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে আবারও ঘাসফুল শিবিরে আস্থা রাখুন।”
জামুড়িয়াতেও অভিনেত্রীর জনপ্রিয়তার কাছে হার মানে গরম। ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশ ও দলীয় কর্মীদের। শুধুমাত্র তৃণমূল সমর্থকরাই নন, সাধারণ মানুষের মধ্যেও পর্দার নায়িকাকে সামনে থেকে দেখার আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।
সাংসদের বক্তব্যে উঠে আসে মমতা ব্যানার্জ্জীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সংগ্রামের কথা। তিনি বলেন, “এবার ভোট হবে মমতা ব্যানার্জ্জীর কাজ ও উন্নয়নের নিরিখে।” বাংলার প্রতিটি পরিবারের পাশে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত কীভাবে তিনি পাশে থেকেছেন তার খতিয়ানও তুলে ধরেন রচনা। তুলে ধরেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বেকার যুবক-যুবতীদের যুব সাথী, স্কলারশিপ, কৃষিজীবী মানুষের নানান প্রকল্প সহ আরও অনেক কিছু। ‘সার’এর চক্রান্তে বাংলার মানুষের যাতে ভোটাধিকার ক্ষুন্ন না হয় তার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর পথে নামা এবং সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই করার কথাও উঠে আসে সাংসদের মুখ থেকে। রচনা দেবী বলেন,” মমতা ব্যানার্জ্জী বাংলার মানুষের জন্য যেভাবে প্রতিনিয়ত লড়াই করছেন এবং বাংলার মানুষ যাতে ভালো থাকতে পারে তার জন্য পথে নেমছেন তাতে আগামীর নির্বাচনে বাংলার মানুষ তথা জামুরিয়া ও পাণ্ডবেশ্বরের মানুষকেও একজোট হয়ে দিদির পাশে থাকতে হবে।”
রাজনৈতিক মহলের মতে, শিল্পাঞ্চলের এই দুই কেন্দ্রে রচনার প্রচার মহিলাদের ভোটব্যাঙ্ককে প্রভাবিত করতে বড় ভূমিকা নিতে পারে।

