স্বপ্না ব্যানার্জ্যী তিয়াসা (শিলিগুড়ি)

আষাঢ়ের ঘন কালো মেঘে যখন ছেয়ে যায় আকাশ, তখন তোমার মিষ্টির হয় অভিষেক।
অলক্ত রঞ্জিত শোভা স্রোতস্বিনী রুপে স্তব্ধ বিষন্ন গোধূলি তে তখন ওঠে ভাটিয়ালি সুর।
ক্লান্ত মিষ্টি তখন নিভু নিভু দীপের সলতে উসকিয়ে বিরহী মনে প্রজ্বলিত করে দীপের শিখা।
হে কান্ডারী তব শেষ বেলার ক্ষুরক্ষেপে কপোত কপোতীর আপন কুলায় দ্রুতগতি তে ফেরার পালা তখন।
কোন অজানা আঁধারের বুক চিরে গোধূলির রঙ হৃদগগনে বোঝাপড়া সেরে নীরবে অশ্রু ঝড়ায়।
ভুলে গেছে সে নব যৌবনের নবীন সাজ বসন্ত বাহার তার ও দুই আঁখিপটে রঙিন স্বপ্ন এঁকে ছিল একদিন।
আজ মিষ্টির চোখে কত নিশি নিদ্রা বিহীন স্মৃতি ভাসা স্বপ্নমায়ায় ঘেরা যেন কালবৈশাখীর ঝড়।
দীপের দেওয়া খুশির রেশ কবেই নিয়ে গেছে সুদূর প্রেম আলিঙ্গনে তার নব প্রেয়সীর হিয়ায়।
চোখের কোণে আজ মাখানো কালিমা যেন পরাজিত সৈনিক, যেন দুটি পথ দুই দিকে প্রসারিত।
একি জনের দুটি রুপ, দিলাম খাঁচা খুলে উড়ে যাও, নব নীড়ে, নব হৃদে, তব অপেক্ষায় রহিনু বসে।
ক্লান্ত পথিক আমি, এগিয়ে যাবো ঠিক ধীর গতিতে নিজ গন্তব্যস্থলে।