সুজিত বর্মণ, ফাইনাল এক্সপোজার -:
একসময় সার্কাস ছিল বিনোদনের অন্যতম বড় মাধ্যম। শীতকাল পড়লেই বিভিন্ন জায়গায় দেখা যেতে সার্কাসের তাঁবু, ভিড় জমাত আট থেকে আশি সকল বয়সের মানুষজন৷ সার্কাসের অন্যতম আকর্ষণ ছিল জীবজন্তুর খেলা। কিন্তু নিষেধের জালে আটকে পড়ে জীবজন্তু নিয়ে খেলা দেখানো বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সার্কাসের আকর্ষণের পাশাপাশি দর্শক সংখ্যা কমে যায় এবং অস্তিত্ব সংকটে ভুগতে থাকে সার্কাস কোম্পানিগুলো। অনেক কোম্পানি বন্ধ হয়ে যায়। তার মাঝেও অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ‘টারজান সার্কাস’৷
সংশ্লিষ্ট সার্কাস কোম্পানির তাঁবু পড়েছে গুসকরার রটন্তী কালীতলা প্রাঙ্গনে৷ বুধবার থেকে শুরু হবে তাদের প্রথম শো। প্রতিদিন থাকছে তিনটি করে শো থাকছে – দুপুর একটা, বিকেল চারটা এবং সন্ধ্যা সাতটায়।

টারজান সার্কাস কোম্পানির ম্যানেজার বললেন, “আগে বাঘ, সিংহ, হাতি সহ বিভিন্ন জীবজন্তুর খেলা দেখার আকর্ষণে কচিকাচারা সার্কাস দেখতে যেত। এখন সেসব অতীত। তবু, আমরা দর্শকদের মনোরঞ্জনের কোনো খামতি রাখিনি। সার্কাসকে ঘিরে সাধারণ মানুষের যে উৎসাহ উদ্দীপনা রয়েছে তাতে আশা করছি শীঘ্রই এই শিল্পের সুদিন ফিরবে।”

