মমতা শঙ্কর সিনহা পালধী (নিউ ব্যারাকপুর)
আমি চাই স্বাধীন ভাবে বাঁচার অধিকার,,,
যেখানে থাকবে না কোনো পৌরুষত্বের বঞ্চনা,,
যেখানে সর্বক্ষেত্রে থাকবে নারী-পুরুষের সমান স্বাধীনতা,,,
থাকবে না ঘর্মাক্ত নারী শরীরের প্রতি কোনো লোলুপতার দৃষ্টি,,
থাকবে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, সন্মান, বন্ধুত্বের অঙ্গীকার।।
আমাকে পণ্য করে নয় যথাযোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক সন্মানের সাথে দিতে হবে এ সমাজে শিক্ষার ও পুরুষের সহোযোদ্ধার অধিকার।।
আমি চাই মুক্তি, ওই সকল নারী খাদকের হাত থেকে–যারা ভদ্রতার মুখোশ পড়ে, রাতের আঁধারে–আবডালে চিবিয়ে ভক্ষণ করতে চায় আমায়।।
ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিতে চাই ঐ নরখাদকের লালসার জিহ্বা, হিংস্র নখ, দন্ত,,
আমি স্বাধীন নারী—মুক্তি চাই আর্দশহীন সমাজ থেকে,,
তাই তো আজ প্রতি মূহুর্তে প্রতিবাদী ঝড় বইছে পাহাড় থেকে সমতলে—সমগ্র বিশ্বচরাচর জুড়ে।।
আমি আশ্রয় চাই উন্মুক্ত সুরক্ষিত আর্দশবাদী সমাজের বুকে,,
আমার হৃদয়ের আলোক-উদ্ভাসিত দ্বার মুক্ত রাখতে চাই সকল হিংস্র থাবার বাইরে।।
আমি তথাকথিত স্বাধীনতার নামে বিলিয়ে দিতে চাই না, বেআব্রু করতে চাই নাআমার নারীত্বের সন্মান।।
আমি কবর দিতে চাই সমাজের সকল পশুত্বকে,,
আমি হাসনুহেনার সুবাসে সুবাসিত হয়ে কামাতুর সর্পের ছোবলে নীলবর্ণ কলঙ্কিত নারী হতে চাই না,,
আমি সুদূর নীলিমার নীলাভ জ্যোৎস্না হতে চাই,,
আমি সবার মনের অনুপ্রেরণা হতে চাই,একটি দিনের নান্দনিকতার অদর্শ হয়ে নয় সারা জীবনের জন্য উদিত নক্ষত্রের মত বিরাজমান হতে চাই সবার প্রাণের মাঝে।।
আমি চাই পূর্ণতার স্বাধীনতা,যেখানে নেই বন্যনগ্নতার উৎকট উল্লাস।
আমি নারী—আমি তোমাদের তিলোত্তমা—- যে আজ বেঁচে থাকতে চাইছে তোমাদের মাঝে,,
পথ চলছে তোমাদের সাথে ,,,
প্রতিবাদী স্বত্ত্বার জীবন্ত মশাল হয়ে বলছে—“চল আজ নারী আর্দশের জন্য সংগ্রাম করে ছিনিয়ে আনো সমানাধীকারের স্বাধীনতা,,,
নগ্নতাকে পদদলিত করে চলো সমাজে প্রতিষ্ঠিত করি আমাদের নারী জাতির সম্ভ্রম আর সন্মান”।।
আমি নারী—আমি সব পারি—
গঞ্জিত–লাঞ্ছিত—অপমানিত—জীবন থেকে মুক্তির স্বাদ আস্বাদনে চাই—বিকৃত মানসিকতার সমাজ থেকে চাই উন্মুক্ত সুরক্ষিত সমাজে সমানাধিকারের পূর্ণ স্বাধীনতা।।
