কাজল মিত্র, বারাবনি:- বারাবনির পাঁচগাছিয়া নুনি মোড় এলাকায় নিয়ন্ত্রণহীন ট্রাক্টরের ধাক্কায় গুরুতর যখম এক ব্যক্তি। ঘটনার পর ছুটে আসে স্থানীয় বাসিন্দারা তরী ঘড়ি আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।জানা যায় ওই ব্যক্তির নাম ধীরেন ঘোষ।
ঘটনার পর ছুটে আসে পুলিশ। ঘটনার পর পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে স্থানীয়দের অভিযোগ প্রতিদিনই নুনি মোড়ে ট্রাক্টরের দৌরাত্ম্য চলে। অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া চালনা, নিয়মের তোয়াক্কা না করে চলে এই ট্রাক্টর। যা মানুষের চলাচলের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
বহুবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ গেলেও কোন সুরাহা হয়নি। প্রশ্ন উঠছে— কেন বারবার একই জায়গায় দুর্ঘটনা ঘটছে? কেন আগে থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হল না?
দুর্ঘটনার পর ট্রাক্টরের মালিকের হদিশ নেই— এটাও মানুষের ক্ষোভ বাড়াচ্ছে। সাধারণ মানুষ জানতে চাইছে, আইনের চোখ কি সবার জন্য সমান? নাকি প্রভাবশালীদের জন্য আলাদা নিয়ম?
এরই মধ্যে শোনা যাচ্ছে, মৃতের পরিবারকে ৪০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ৪০ হাজার টাকা! একটি মানুষের জীবন, একটি পরিবারের ভরসা, সন্তানের ভবিষ্যৎ— সবকিছুর দাম কি এই সামান্য অঙ্ক? এটি কি প্রকৃত সহায়তা, না কি দায়সারা মনোভাব? ধীরেন ঘোষ আর ফিরবেন না। তাঁর অনুপস্থিতিতে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা কোনো টাকায় পূরণ হওয়ার নয়।
এলাকাবাসীর দাবি ন্যায় চাই, জবাবদিহি চাই। ট্রাক্টরের মালিককে সামনে এসে ভুল স্বীকার করতে হবে। পরিবারের জন্য উপযুক্ত ও সম্মানজনক ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে তার স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
নুনি মোড় আজ শুধু একটি দুর্ঘটনার নাম নয়, এটি প্রশাসনিক উদাসীনতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক। এখন দেখার, দায়িত্বপ্রাপ্তরা কত দ্রুত ও কতটা গুরুত্ব সহকারে পদক্ষেপ নেন।

