সৌভিক সিকদার: গুসকরা:-
একটা সময় শিয়ালদহ-বারাণসী এক্সপ্রেস,
বর্ধমান-মালদা টাউন প্যাসেঞ্জার সহ একাধিক ট্রেন ছিল বর্ধমান-রামপুরহাট রুটের হাজার হাজার নিত্যযাত্রী, ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ী, ক্ষেতমজুর সহ বহু মানুষের জীবনরেখা। গুসকরা থেকে সকালের দিকে সরাসরি শিয়ালদহ যাওয়ার একমাত্র ট্রেন ছিল শিয়ালদহ-বারাণসী এক্সপ্রেস ট্রেনটি। করোনার আবহে আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসাবে প্রতিটি ট্রেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। অথচ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া সত্ত্বেও আজও সেই ট্রেনগুলো পুনরায় চালু করার জন্য রেল কর্তৃপক্ষ সহ এলাকার জনপ্রতিনিধিদের কোনোরকম উদ্যোগ নিতে দেখা যাচ্ছেনা। একাধিক সুপার ফাস্ট বা এক্সপ্রেস ট্রেন চালু করা হলেও তাতে স্থানীয় মানুষদের কোনো উপকার হচ্ছেনা। কারণ ওগুলো সব স্টেশনে দাঁড়ায়না। চরম সমস্যায় পড়ছে যাত্রীরা।
এই ট্রেনগুলি পুনরায় চালু হলে সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। ওই ট্রেনগুলো ছিল সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় ভরসা। এই পরিস্থিতিতে বন্ধ হয়ে ট্রেনগুলো পুনরায় চালু করার জন্য সমস্ত মহল থেকে ধীরে ধীরে দাবি উঠতে শুরু করেছে।
গুসকরায় গৃহশিক্ষকের কাছে পড়তে আসা একাধিক ছাত্রছাত্রীরা আপ বর্ধমান-মালদা টাউন প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি পুনরায় চালু করার যেমন দাবি তুলছে তেমনি এলাকার ব্যবসায়ীদের দাবি শিয়ালদহ-বারাণসী এক্সপ্রেস ট্রেনটি অবিলম্বে চালু করা হোক। সবার দাবি মেনে নতুন বছরের শুরুতে বর্ধমান-রামপুরহাট রুটের বন্ধ হয়ে যাওয়া ট্রেনগুলো পুনরায় চালু করার জন্য রেল কর্তৃপক্ষ এবং এলাকার জনপ্রতিনিধি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে কোনো সক্রিয় উদ্যোগ নেওয়া হয় কিনা সেদিকে সবাই তাকিয়ে আছেন।