রাকেশ লাহা, পাণ্ডবেশ্বর, পশ্চিম বর্ধমান :-
শীতের রাত্রে খনি অঞ্চল যখন নিস্তব্ধ , কুয়াশার চাদরে মোরা রাত্রিতে যখন টিমটিম করে জ্বলছে জাতীয় সড়কের উপর কিছু পথ বাতি। ঠিক সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মাদক পাচারের চক্রান্ত করেছিল ৩ পাচারকারী। কিন্তু সেই পাচারকারীরা বোধহয় ভুলেই গিয়েছিল অতন্দ্র প্রহরীর মত জেগে পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ। তাই নিমেষেই ভেস্তে গেল হেরোইন পাচারের ছক। পুলিশের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে কোমরে দড়ি পড়তে হল ৩ পাচারকারী কে। বাজেয়াপ্ত করা হয় ২৬০ গ্রাম হেরোইন।
প্রসঙ্গত,বর্ষবরণের রাত্রে খনি অঞ্চল ও শিল্পাঞ্চল যখন আনন্দে মাতোয়ারা। নিত্য পথচারীদের সুরক্ষা দিতে রাস্তায় রাস্তায় যখন পুলিশের কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী । ঠিক সেই সময় পার্শ্ববর্তী জেলা বীরভূম থেকে ছোট হাতি গাড়ি করে তিন মাদক পাচারকারী আসছিল পশ্চিম বর্ধমানের দিকে। আগেভাগেই মাদক পাচারের বিষয়টি নিয়ে অবগত ছিল পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ। তাই অতন্দ্র প্রহরীর মত রাত জেগে পুলিশও ছিল ফাঁদ পেতে। ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক বীরভূম পশ্চিম বর্ধমান সীমান্ত পেরিয়ে পাচারকারীদের গাড়ি যখন পৌঁছায় পাণ্ডবেশ্বর এরিয়া মোড়ের সন্নিকটে, ঠিক তখনই জাল টানে পুলিশ এবং সেই জালে পড়ে তিন মাদক পাচারকারী সাথে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ২৬০ গ্রাম হেরোইন।
ধৃত তিন মাদক পাচারকারী হল মোঃ শহিদ খান(২৩) কুলটি থানার নিয়ামতপুরের বাসিন্দা,মোঃ ইমরান (২৩)চিরকুন্ডার বাসিন্দা ও মোঃ সামির খান (৩০), ধানবাদের শিবলী বাড়ি চিরকুন্ডার বাসিন্দা।
এত পরিমান মাদক নিয়ে পাচারকারীরা কোথা থেকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল তার যেমন তদন্ত শুরু করেছে পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ ঠিক এর পাশাপাশি এই চক্রের জাল কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে। এদিন বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আসানসোল আদালতে তোলা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায় ধৃত এই তিন আসামীকে ১০ দিনের পুলিশি রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে মহামান্য আদালতের কাছে।।