রাকেশ লাহা, জামুড়িয়া, পশ্চিম বর্ধমান :-
নতুন বছরের প্রথম দিনই ঘন কুয়াশায় ঢাকলো শিল্পাঞ্চলের আকাশ। তাপমাত্রার পারদ পৌঁছালো প্রায় ১৩ ডিগ্রির ঘরে । বর্ষবরণের সকালে কনকনে শীতে গৃহবন্দী হয়ে পড়লো জনজীবন ।
প্রসঙ্গত বলে রাখা দরকার, গত বেশ কয়েকদিন থেকে জাঁকিয়ে পড়েছে শীত। ভোরের দিকে শীতের কাঁপুনির পর একটু বেলা হলেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে পড়ছে বিস্তীর্ণ এলাকা।
স্পষ্ট ভাবে দেখা যাচ্ছে না রাস্তাঘাট, স্বভাবতই আশঙ্কা থাকছে দুর্ঘটনার।
যদিও সৌভাগ্যের বিষয় কুয়াশার জেরে এখনো পর্যন্ত শিল্পাঞ্চলের বুকে কোনরকম কোন দুর্ঘটনার সংবাদ উঠে আসেনি।
প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যেই রাস্তাঘাটে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও, বাতি জ্বালিয়ে প্রতিটি গাড়ি ছুটছে রাস্তায়।
তবে অন্যান্য দিনগুলি তুলনায় আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার শিল্পাঞ্চলে শীতের দাপট ছিল উর্ধ্বমুখী। তবুও সকাল থেকে জামুরিয়া এবং পাণ্ডবেশ্বর এর বিভিন্ন এলাকা জুড়ে পিকনিক স্পট গুলিতে জমজমাট ভিড় দেখে বোঝাই উৎসব প্রিয় মানুষের কাছে হার কাঁপুনি শীতের দাপট এবং কুয়াশা তেমন কোন বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে না।
এই পরিবেশকে পিকনিক প্রেমীরা স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিয়েছে।
এদিন সকাল ৬ঃ০০ টা থেকে বেলা ৯টা কি ৯:৩০ টা পর্যন্ত শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকাই নতুন বছরের সূর্যের উদয় হতে দেখেনি শিল্পাঞ্চলের মানুষ।
বেলা বাড়ার সাথে সাথে ধীরে ধীরে কুয়াশার রেশ কেটে সূর্যের উদয় হলে টুপি মাফলার ছেড়ে বাড়ির উঠোনে কিংবা ফাঁকা ময়দানে সূর্যের কিরণ মাখতে দেখা যায় কচিকাঁচা থেকে বৃদ্ধ সকলকেই।
একাংশ মানুষজনের দাবি এবছর জাঁকিয়ে পড়েছে শীত সাথে ঘন ঘন কুয়াশার দাপট। সকাল আটটা কিংবা নটার আগে বাড়ি থেকে বেরনো যাচ্ছে না।
আবার অনেকের মন্তব্য, খুব সুন্দর ভাবে উপভোগ করছি এই আবহাওয়া।।