বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ নির্বাচন মালদায়

নিজস্ব সংবাদদাতা: মালদা:- আজ ছিল তৃতীয় দফায় লোকসভা নির্বাচন। নির্বাচনে ২ জেলার ৪ টে লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হয়। মালদা জেলায় দুটি আসনে ও মুর্শিদাবাদ জেলায় দুটি আসনে। মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলার চারটি আসনের কয়েকশোর বেশি স্পর্শকাতর বুথ বলে চিহ্নিত করেছিল নির্বাচন কমিশনার। তারপর, উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদ ও মালদা জেলার চারটে লোকসভা আসনের বেশ কয়েকটি বুথ। সারাদিন জুড়ে মালদায় কি হলো দেখে নিন এক নজরে।

কোতুয়ালি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাধারণ ভোটারদের সাথে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিলেন রাজ্যসভার তৃণমূলের সাংসদ মৌসম বেনজির নূর। ভোট দেওয়ার পর এবার দক্ষিণ মালদা কেন্দ্রে গনি ম্যাজিক নয় মমতা ম্যাজিক কাজ করবে জানালেন তিনি।

পাশাপাশি একই সঙ্গে এই বুথেই ভোট দিলেন গত চারবার এক টানা সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী এবং তার ছেলে তথা বাম কংগ্রেস প্রার্থী ঈশা খান চৌধুরী। বাবাকে ধরে নিয়ে গেছে ভোট দেন তিনি। 

হবিবপুর ব্লকের মঙ্গলপুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধাকান্তপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ১২২ নম্বর বুথ, সাড়ে তেরোশো ভোটার, দীর্ঘদিনের রাস্তা ব্রীজের দাবি ছিল, না হওয়ায় অবশেষে বুথের সামনে মহিলাদের অনশন। রামকৃষ্ণপুর, রাধাকান্তপুর, জগন্নাথপুর, এই তিন গ্রামের বাসিন্দাদের কেউই ভোট দিবে না বলে জানান। সকাল পাঁচটা থেকে ধরনা অনশন শুরু হয় চলবে সন্ধ্যে সাতটা পর্যন্ত।

পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ালেন দক্ষিণ মালদহের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। সকালে ইংরেজবাজার শহরের ঝলঝলিয়া শিশু নিকেত প্রাথমিক স্কুলের ঘটনা।  বুথের মধ্যে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলছেন পুলিশ কর্মী, দাবি শ্রীরূপার। তিনি বলেন , ভোটারদের সঙ্গে কথা বলা পুলিশের কাজ নয়। এর পরে, কর্তব্যরত বিএসএফ জওয়ানকে ধমক দেন তিনি।

দক্ষিণ বালুচর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৮৬ নম্বর বুথে পৌনে নয়টা নাগাদ পরিবারের সঙ্গে নিয়ে ভোট দিলেন ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী।

হবিবপুর মালদা বিধানসভার ৫০ অন্তর্গত ২১৩ নম্বর বুথে। আইহো অঞ্চলের বক্সীনগর ২নং পি পি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইভিএম মেশিন খারাপ থাকায় প্রায় এক ঘন্টা ধরে ভোট নেওয়া বন্ধ রয়েছে সমস্যায় ভোটাররা।সকাল ৭ টাই ভোট শুরু হওয়ার কথা থাকলে তা শুরু হয়নি প্রায় ৮ টা নাগাত ভোট শুরু হয়।

২২ নম্বর ওয়ার্ড ঝলঝলিয়া এলাকার বিভিন্ন বুথে শান্তি-শৃঙ্খলা ভাবে ভোট প্রক্রিয়া চলছে মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিচ্ছে।

ইংরেজবাজার পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে দক্ষিণ মালদা বিজেপি প্রার্থী শ্রীরুপামিত্র চৌধুরীকে,ঘিরে বিক্ষোভ।

দক্ষিণ মালদার বিজেপির প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ধীরেন সাহা হাই স্কুলের ১৪৭ থেকে ১৫১ নম্বর বুথে।

তারা জীবিত। কিন্তু ভোটার লিস্টে তারা মৃত বলেই ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে ভোট দিতে পারলেন না ইংরেজবাজার পৌরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা। তাদের মধ্যে তিনজনের খোঁজ পেলাম আমরা। ইংরেজবাজার শহরের গয়েশপুর ২১ নম্বর ওয়ার্ডের ৮৯, ৯০ দুটি বুথে ভোট দিতে  না পেড়ে কার্যত নিরাশায় হয়েই বাড়ি ফিরলেন। জেলা প্রশাসনের নির্বাচন দপ্তরকেই দায়ী করেছেন তারা। চিত্তরঞ্জন কুন্ডু বয়স ৮০ বছর ভোট দিতে পারলেন না ভোটার লিস্টে মৃত বলে বলা হয়েছে তাকে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ভোট না দিয়ে। অনিমা পোদ্দার বয়স ৬৫ বছর তিনিও ভোট দিতে পারলেন না .

রাখি দাস গয়েশপুরে বাসিন্দার তিনিও এসে তার ভোট দিতে পারলেন না ভোটার লিস্টে তিনি মৃত বলে দেখা দিচ্ছে কর্তব্যরত বুথে দায়িত্বে থাকা পেসাইটিং অফিসার তাদের ভোট নেয়নি।

ভোট গ্রহণের শেষ বেলায় উত্তর মালদা লোকসভার হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বুলবুল চন্ডীর গিরিজা সুন্দরী বিদ্যামন্দির ২২৭ নম্বর বুথে বিজেপি প্রার্থী খগেন মুর্মুকে ঘিরে বিক্ষোভ। গো ব্যাক স্লোগান তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা।

 পোলিং এজেন্টকে মারধোরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। উৎপল সরকার নামের জখম ওই পোলিং এজেন্ট বুলবুল চন্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গোপাল সরকার খাবার খেয়ে ফের বুথে যেতে নিলে তাকে বাধা দেওয়া মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

 খগেন মুর্মু এই বুথে উপস্থিত হলে সেখানে আগে থেকে দাঁড়িয়ে থাকা তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা তাকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকে। খগেন মুরমু অভিযোগ  বৃক্ষ প্রদর্শনকারীরা সকলেই মধ্যপ অবস্থায় ছিল। ঘটনায় তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাচ্ছেন।

দক্ষিণ মালদা ৮ বার্লো গার্লস হাই স্কুলে ভোটাররা ভোট দান করে আমের সেলফি জোনে ছবি তুলতে ব্যস্ত।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *