অঙ্কিতা চ্যাটার্জ্জী, ফাইনাল এক্সপোজার -:
দিন ঘোষণা হতেই শিল্পাঞ্চল জুড়ে শুরু হয়েছে কড়া পুলিশি তৎপরতা। নির্বাচনকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে আসানসোল শহরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ও প্রবেশপথে নিরাপত্তা জোরদার করল প্রশাসন। শহরবাসীকে আশ্বস্ত করতে এবং বহিরাগতদের গতিবিধিতে নজর রাখতে স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ময়দানে নেমেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। নাকা চেকিংয়ের জালে চারচাকা গাড়ি।
আসানসোল উত্তর থানা থানা এলাকা এবং শহর সংলগ্ন একাধিক জায়গায় কড়া নজরদারি চোখে পড়ে। বিশেষ করে কাল্লা মোড়, জুবলি মোড় সংলগ্ন এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশি ব্যারিকেড। রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা প্রতিটি চারচাকা গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। গাড়ির ডিকি খুলে খুঁটিয়ে দেখার পাশাপাশি চালক ও যাত্রীদের পরিচয়পত্র যাচাই এবং জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে।
এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে রুট মার্চের পাশাপাশি নাকা চেকিংয়েও কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নজর কেড়েছে। শনিবার আসানসোল মহকুমা শাসক ( সদর) বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য কাল্লা মোড় ও জুবলি মোড় ‘নাকা’ পরিদর্শন করতে যান। তিনি জানান, “নির্বাচনের আগে শহরের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রকম আপস করা হবে না। বেআইনি অস্ত্র, টাকা বা মাদক পাচার রুখতেই এই আগাম সতর্কতা।”
পারদ চড়ছে রাজনৈতিক মহলেও একদিকে যখন রাজনৈতিক দলগুলি প্রচারে ব্যস্ত, অন্যদিকে প্রশাসনের এই অতি-সক্রিয়তায় সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, আগামী কয়েক দিনে শহরের প্রতিটি স্পর্শকাতর এলাকা এবং সীমানাবর্তী অঞ্চলগুলোতে এই ধরনের নাকা চেকিং আরও বাড়ানো হবে। সন্দেহভাজন কিছু পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে থানাগুলোকে।
নির্বাচনের আগে দুর্গাপুরের এই ‘বজ্রআঁটুনি’ সাধারণ ভোটারদের কতটা আত্মবিশ্বাস জোগাতে পারে, এখন সেটাই দেখার।


