বিধায়কের মানবিকতার সাক্ষী থাকল গুসকরাবাসী

জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী, গুসকরা, পূর্ব বর্ধমান-:

    দলীয় কর্মীদের কাছে আউসগ্রামের বিধায়ক অভেদানন্দ থাণ্ডারের পরিচয় 'ডাকলেই পাওয়া যায়'। শুধু আক্ষরিক অর্থে নয়, বাস্তবিক দিক দিয়েও এটা প্রযোজ্য। দলের অল্প পরিচিত কর্মীরা সহজেই তার কাছে পৌঁছে যেতে পারেন। দলীয় অনুষ্ঠান ছাড়াও এলাকায় আয়োজিত যেকোনো অনুষ্ঠানে তাকে দেখা যায়। মানুষের বিপদের সময় বারবার তাদের পাশে তাকে দেখা গেছে । এবারও তার এই মানবিক গুণের সাক্ষী থাকার সুযোগ পেলেন গুসকরাবাসী।

  প্রায় ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে তাপমাত্রা উর্দ্ধগামী। গুসকরা শহরের স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাতে বসে মাথার উপর সূর্যের প্রখর তাপ সহ্য করে ব্যবসা করছেন অনেকেই। কারণ ছাতা কেনার মত অর্থ তাদের নাই। চলার পথে বিষয়টি চোখে পড়ে বিধায়কের। সঙ্গে সঙ্গে তিনি তাদের ছাতা কিনে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। 

  সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৬ ই এপ্রিল ঢাকঢোল না পিটিয়ে প্রায় সবার অলক্ষ্যে বিধায়ক দু'জন গরীব ক্ষুদ্র  ব্যবসায়ীর হাতে তুলে দেন ছাতা। একইসঙ্গে গলায় উত্তরীয় পরিয়ে দেন এবং মাথায় একটি টুপি। ছাতা ও টুপি পেয়ে দু'জনেই খুব খুশি।

   প্রবীণ বিজয় দাস বললেন, প্রায় ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি এক জায়গায় বসে পাউরুটির ব্যবসা করছেন। সামান্য আয়ে ছাতা কেনার সামর্থ্য তার নাই। আজ বিধায়ক আমার হাতে ছাতা তুলে দেওয়ায় কিছুটা হলেও সূর্যের তাপের হাত থেকে বাঁচব। 

   অন্যদিকের বিধায়কের ছোট্ট প্রতিক্রিয়া, এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমি আমার কর্তব্য পালন করেছি। অতীতে যেমন এদের পাশে ছিলাম তেমনি ভবিষ্যতেও থাকব। এটা প্রত্যেক তৃণমূল কর্মী মেনে চলে।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *