তৃপ্তি রায়চৌধুরী (কলকাতা)

দিগন্তের ওপারে সাজো সাজো রব।
সূর্যের পদার্পণে রক্তিম হবে সে প্রান্তর!
সিংহাসনে আরূঢ় সূর্যদেব
ধ্যানে হবেন মগ্ন।
বলয় ঘিরে থাকবেনা তখন, কোনো জ্যোতি।
বিশ্ব চরাচর হবে ধীরে ধীরে ঘন অন্ধকারে নিমজ্জিত।
ঠিক এসময়__
তরঙ্গের হাতছানিতে দিগন্ত- তরঙ্গের মধ্যে চলে নিশ্চুপে খেলা।
মেখলায় সুশোভিত রাতপরী নামে ধরায়।
এইতো তার নৃত্যের বেলা।
নিকষ কালো আঁধারে হারাই তোমার ঠিকানা।
শেষে, জলপরীদের সাথে দেখা।
ওরাও খুঁজছে কারো ঘর, কারো মন একা একা।
ওদের যন্ত্রনা গুলো টুংটাং শব্দের ঝংকার তোলে।
যেন, সাগরের বুকে জলতরঙ্গ বাজে!
সে অনুরণনে, আলগোছে মেশাই
আমার অস্ফুট বেদনা।
মুহুর্তের বিবশতায় হারিয়ে যায়
আমার বোধ, আমার চেতনা।