রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, ফাইনাল এক্সপোজার -:
হাজার হাজার দলীয় কর্মী-সমর্থকদের বিশাল শোভাযাত্রা ও জনস্রোতের মধ্যে দিয়ে বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে জেলাশাসক দপ্তরে মনোনয়ন পত্র পেশ করলেন কুলটি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অভিজিৎ ঘটক। ঢাক-ঢোল, আদিবাসী নৃত্য এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে এদিন আসানসোলের রাজপথ এক প্রকার উৎসবের চেহারা নেয়।হুডখোলা জিপে অভিজিৎ ঘটকের সঙ্গী ছিলেন কুলটির প্রাক্তন বিধায়ক উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়। মিছিলে প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন জেলা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং কুলটি ব্লকের ব্লক সভাপতি ও অন্যান্য পদাধিকারীরা।
মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর অভিজিৎ ঘটক বলেন, ”কুলটির মানুষ গত কয়েক বছরে এলাকার পরিকাঠামো, পানীয় জল ও রাস্তার যে পরিবর্তন দেখেছেন। তার নিরিখেই জোড়াফুল চিহ্নে তারা ভোট দেবেন। জয়ের বিষয়ে আমরা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত।”
তিনি আরও বলেন, “এই এলাকার মানুষ কোনোভাবেই বিভাজনের রাজনীতিকে প্রশ্রয় দেবেননা। কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে এবং বাংলার উন্নয়নের পক্ষে সাধারণ মানুষ রায় দেবেন।”
গত নির্বাচনে এখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছিল। তবে এবার অভিজিৎ ঘটককে প্রার্থী করে তৃণমূল কংগ্রেস সাংগঠনিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে শ্রমিক মহলে এবং সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে তার ব্যক্তিগত প্রভাব এবারের নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হতে পারে।
মনোনয়ন পেশকে কেন্দ্র করে জেলা শাসকের দপ্তরের বাইরে কড়া পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এদিনের এই বিশাল জমায়েত ও মনোনয়ন পেশের পর রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, কুলটি বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেস এবার বিরোধীদের চেয়ে কয়েক কদম এগিয়ে থেকেই প্রচারের ময়দানে নামল। এখন দেখার, নির্বাচনের দিন ইভিএমে এই জনসমর্থনের কতটা প্রতিফলন ঘটে।


