চিত্রা কুণ্ডু বারিক (কলকাতা)

জানি না কেন কেমন যেন সব উলোটপালট হয়ে গেছে। যতই লিখিছি কিন্তু ততটাই ভুল হয়ে যায়। বারবার মুছি কিন্তু মোছার দাগ গুলো ফিরিয়ে দিচ্ছে। পাতার পর পাতা ওলটাই অথচ হালকা করে বুঝিয়ে দেয় আমি এটাই করেছি। নতুন করে শুরু করতে যাই নতুন খাতায় কিন্তু ভুলে যাই কলম বলে দেয় সেই আমাকেই ব্যবহার করেছো নতুন করে পাবে না কিছু।
অনেক চেষ্টা করেও ভুল ঠিক করতে পারছিলাম না, সেখানেই ডুবে যায় সবকিছু। দূরে থাকতে চেয়েও গোলোক ধাঁধা চেপে ধরে।
একসময় ভয়ানক জেদ চেপে বসলো। মুছতে হবেই সে যেমন করে হোক। কারণ তারা যদি মৌন প্রতিবাদে সরিয়ে দিতে পারে কেন কেন পারবো না আমি নিজেই সরে যেতে।
বার বার চুপ থেকে দূরে চলে গেছি। কিন্তু মায়ার চাদরে তাদের গায়ের গন্ধ গুলো বড় আকর্ষণ করে কাছাকাছি যেতে। নাক চেপে ধরি যেন কোনো গন্ধ চারপাশে ঘোরাঘুরি না করে।
এখন অনেকটাই শান্ত করেছি হতভাগী মনটা। সমস্ত ভালবাসা ডিলিট করা মনের গ্যালারি থেকে আর একটু বাকি আছে মুছে ফেলতে। সময়ে সেটুকুও কবে যে নিজে নিজেই মুছে যাবে বলা মুশকিল। হ্যা পারবো এবার পারবো। নিজেকে শান্ত করতে। ঈশ্বর বলেন যে যায় চলে যেতে দাও আমি আছি তোমার পাশে শুধুমাত্র অপেক্ষায় থাকো।
জগৎ সারাজীবন কারো জন্য বদ্ধ নয়। তাই মুক্ত থাকতে হবে। এর নামই ত্যাগ। মায়াজালে বিভোর না হয়ে নিজের আসল ঘরে ফিরে আসা।