সন্তোষ মন্ডল, আসানসোল:- জীবনটাকে সহজভাবে নেওয়ার চেষ্টা করি, কোনও প্রকার জটিলতা পছন্দ নয়- জানালেন দেশবন্ধু মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ত্রিদিব সন্তপা কুণ্ডু। কিন্তু তা সত্বেও জটিলতা তো আসেই, তখন কিভাবে আপনি তা এড়ান? বললেন, জটিলতা এসেছে অনেক ক্ষেত্রেই। পেশাগত ক্ষেত্রে যাদের ভালবেসেছি, তাদের থেকে আঘাতও পেয়েছি। কিন্তু এমন নয় যে সেই সব আঘাত আমাকে উল্টো চলতে বাধ্য করেছে। এটা যারা আঘাত দিয়েছে তাদের সমস্যা, আমার নয়। এভাবেই জীবনের সমস্যাকে সহজ-সরল ভাষায় ব্যাখ্যা করলেন শ্রীকুন্ডু। প্রাত্যহিক জীবনে সকাল ৫:৩০ থেকে ৫:৪৫ -এর মধ্যে শয্যা ত্যাগ এবং পোষ্য সারমেয়টিকে নিয়ে প্রাতঃভ্রমণ। বাড়ি ফিরে চা পান সহযোগে রবীন্দ্র মূর্ছনা উপভোগ করা। এরপর সাংসারিক প্রয়োজনে আসানসোলে বাড়ির কাছেই মহিশীলা বটতলা বাজারে শাকসবজি নিয়ে বাড়ি ফিরে কিছু বকেয়া কলেজের কাজগুলি শান্ত মনে শেষ করা । সকাল সাড়ে ন’টা থেকে দশটার মধ্যে তিনি কর্মস্থল চিত্তরঞ্জনের কলেজের উদ্দেশ্যে দুপুরের খাবার খেয়ে বেরিয়ে পড়েন। এগারোটা থেকে বিকাল ৫ঃ০০ টা পর্যন্ত টানা ক্লাস, সেমিনার, ছাত্র-ছাত্রীদের সুবিধা অসুবিধার তদারকি সেরে সাড়ে ছ’টায় বাড়ি ফেরেন। বাড়ি ফিরে আবার পোষ্যর সাথে কিছুটা সময় কাটান, চা খান। রাত্রি সাড়ে আটটায় রাতের খাবার খেয়ে ল্যাপটপ নিয়ে নিজের পড়াশোনা, রিসার্চের কাজ করেন রাত বারোটা পর্যন্ত। সাড়ে বারোটায় ঘুম। ত্রিদিব বাবু বললেন জীবনটাকে উপভোগ করি। কাজ করতে, গবেষণা-পড়াশোনা করতে ভালো লাগে। এইভাবেই বাকি জীবন কাটিয়ে দেবো। আমি বিশেষ কেউ নই, সাধারণভাবেই থাকতে চাই।
Posted inআসানসোল