রূপনারায়ণপুরে ‘ম্যাক্স ব্লুমিং এরা’-র বর্ণাঢ্য বার্ষিক মহোৎসব

রূপনারায়ণপুরে ‘ম্যাক্স ব্লুমিং এরা’-র বর্ণাঢ্য বার্ষিক মহোৎসব

নিজস্ব সংবাদদাতা, সালানপুর:-

রূপনারায়ণপুরের সুভাষ মঞ্চ (ইউথ ক্লাব গ্রাউন্ড) আজ এক অনন্য ইতিহাসের সাক্ষী থাকল। অত্যন্ত মর্যাদা ও উৎসাহের সাথে পালিত হলো প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষার জগতে এক অগ্রণী নাম ‘ম্যাক্স ব্লুমিং এরা’ (Max Blooming Era)-র বার্ষিক অনুষ্ঠান। এ বছরের অনুষ্ঠানের মূল ভাবনা ছিল “পাঠশালা – জীবনের শেখার অঙ্গন”। জীবন যে আসলে প্রতিনিয়ত এক শেখার মাধ্যম এবং প্রতিটি অভিজ্ঞতাই যে শিক্ষার অংশ—এই দর্শনকেই শিল্পের আঙিনায় ফুটিয়ে তোলা হয় এই আয়োজনে।এক মঞ্চে হাজারো সাফল্যের উদযাপন এদিনের অনুষ্ঠানটি ছিল মূলত চারটি বিশেষ পর্বের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ:
গ্র্যাজুয়েশন ডে: জীবনের প্রথম পাঠ শেষ করে খুদে পড়ুয়ারা এদিন মেতে ওঠে আগামীর নতুন পদার্পণের উল্লাসে।
বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী: সারা বছরের মেধা, ক্রীড়া ও সৃজনশীলতায় সফল শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মাননা।
উইমেন উইথ উইংস (Women with Wings): অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ১০০ জন নারী উদ্যোক্তা ও সমাজকর্মীকে সম্মান প্রদান। রূপনারায়ণপুর ও চিত্তরঞ্জন অঞ্চলের যেসব অকুতোভয় নারী সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছেন, তাঁদের বিশেষ সংবর্ধনা জানানো হয়।
কাইন্ডারম্যাজিক কারিকুলাম (Kindermagic Curriculum): এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলো এই আধুনিক পাঠ্যক্রমের, যা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার পথ প্রশস্ত করবে।
একটি সাধারণ পঞ্চায়েত এলাকা থেকে শুরু করে আজ ভারতের একাধিক রাজ্যে নিজেদের ডানা বিস্তার করেছে ‘ম্যাক্স ব্লুমিং এরা’। প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসনের দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং শিক্ষার প্রতি নিরলস নিবেদন এই স্কুলটিকে আজ একটি জাতীয় স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করেছে।
আবেগ ও অনুপ্রেরণার মেলবন্ধন মঞ্চের প্রতিটি পরিবেশনায় ফুটে উঠেছে।শিক্ষার্থীদের অদম্য আত্মবিশ্বাস এবং শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম। উপস্থিত অভিভাবকদের সন্তুষ্টি ও আনন্দ ছিল চোখে পড়ার মতো। বক্তারা জানান, ‘ম্যাক্স ব্লুমিং এরা’ শুধুমাত্র একটি স্কুল নয়, এটি একটি পরিবার যা শিশুর সার্বিক বিকাশ ও নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে বদ্ধপরিকর।এই আয়োজন কেবল একটি অনুষ্ঠান নয়, এটি একটি স্বপ্নের যাত্রা এবং একটি শক্তিশালী কমিউনিটির প্রতিচ্ছবি।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *