লক্ষ্মীনারায়ণপুর বি এইচ এম হাই স্কুলে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির

বাইজিদ মন্ডল: দক্ষিন চব্বিশ পরগনা:- সুস্থ্য জীবন যাপনের একটি উপায় হলো শরীরের কোনো বড় ক্ষতি হওয়ার আগেই স্কিনিং এবং চিকিৎসা করা। নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে এটি সম্ভব, তাই প্রান্তিক এলাকার দরিদ্রদের জন্য শিক্ষক মরহুম মোকারম হোসেন পুরকাইত এবং লক্ষ্মীনারায়ণ পুর বি এইচ এম হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম নজিবোল ইসলাম পিয়াদার স্মৃতিতে উক্ত হাই স্কুল প্রাঙ্গণে মানবতা এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্ণধার জুলফিকার আলী পিয়দার সহযোগিতায় চিকিৎসা শিবিরটি পরিচালিত হয়। এখানে প্রান্তিক গ্রামাঞ্চলের বিপুল সংখ্যক প্রায় ১ হাজার মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন। অভিজ্ঞ ডাক্তার এবং নার্সদের একটি দল বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা প্রদান করে। যেমন উল্লেখ্যযোগ্য উপস্থিত ছিলেন অভিজ্ঞ ডাঃ বাবুল রহমান(সার্জেন,এসএস কে এম হাসপাতাল),স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ডা: সেলিনা রহমান (শিশু মঙ্গল হাসপাতাল), ডা: গৌতম ভট্টাচার্য জেনারেল ফিজিশিয়ান,শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: হাবিব রহমান(রায়দিঘী হাসপাতাল),এছড়াও যে সকল ডাক্তার বাবুরা উপস্থিত ছিলেন ডা: তালিব সরকার,ডা: বাপন লস্কর জেনারেল মেডিসিন, ডা: এন হোক হোমিওপ্যাথিক,রাকিব লস্কর,গৌরব কোটাল জেনারেল,ইফতিখার আব্দুল্লাহ খান, ডা: আমানুল্লা ডেনডিস্ট,আসাদুল আকুঞ্জি জেনারেল মেডিসিন ,সাজিরুল হোক সহ আরো অনেকে। শিবির গুলির প্রাথমিক লক্ষ্য হল দেশের এই অঞ্চলে যারা চিকিৎসার সামর্থ্য রাখে না তাদের জন্য মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা। স্বাস্থ্য শিবির চলাকালীন, বিভাগটি বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা, চোখের পরীক্ষা, দাঁতের মূল্যায়ন ইত্যাদি পরীক্ষা করা হয়। ডাঃ বাবুল রহমান বলেন সকল অংশগ্রহণকারীদের বিনামূল্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা করে। এছাড়াও, শিবির চলাকালীন স্বাস্থ্যকর জীবনধারা এবং প্রতিরোধমূলক যত্ন সম্পর্কে একটি সচেতনতামূলক কর্মসূচিও পরিচালনা করা হয়েছিল যাতে মানুষ সুস্বাস্থ্যের গুরুত্ব বুঝতে পারে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে, প্রান্তিক এলাকার সকল বয়সের মানুষের মধ্যে প্রতিরোধ মূলক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং ভাল শারীরিক সুস্থতা প্রচারের লক্ষ্যে কাজ করে। মানবতার কর্ণধার জুলফিকার আলী পিয়াদা জানান রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং পরীক্ষাগুলি দ্রুত আরোগ্য লাভ করতে সাহায্য করতে পারে এবং শরীরে উপসর্গবিহীন রোগ সনাক্ত করতেও সাহায্য করতে পারে। সুস্থ জীবনযাপনের একটি উপায় হল শরীরের কোনও বড় ক্ষতি হওয়ার আগেই স্ক্রিনিং এবং চিকিৎসা করা। নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে এটি সম্ভব। তাই দরিদ্রদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবিরের প্রয়োজন,এখানে প্রায় এক হাজার মানুষ স্বাস্থ্য সেবা পরিষেবা পায়। যারা স্বল্প আয় করেন এবং হাসপাতাল বা ক্লিনিক দ্বারা প্রদত্ত ব্যয়বহুল স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করতে পারেন না। মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবা এবং অসুস্থতা সম্পর্কে জনগণকে সচেতনতা তৈরি এবং সংবেদনশীল করার জন্যও স্বাস্থ্য শিবির স্থাপন করা হয়।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *