শত্রুঘ্ন সিনহার সমর্থনে রানীগঞ্জের সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

নিজস্ব সংবাদদাতা: রাণীগঞ্জ:- লোকসভা নির্বাচনের আসানসোল কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার সমর্থনে রানীগঞ্জের সিহারশোল রাজ ময়দানে, শুক্রবার তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার সমর্থনে সভা করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
জনসভাকে কেন্দ্র করে বহু মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সভাকে কেন্দ্র করে চারিদিকে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা, রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক, আসানসোল পৌরনিগমের মেয়র বিধান উপাধ্যায়, পশ্চিম বর্ধমান জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, জামুড়িয়ার বিধায়ক হরেরাম সিং সহ অনেকে। তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করেন বিজেপিকে। তিনি বলেন আগে লক্ষী ভান্ডার পাওয়া যেত ৫০০ টাকা, সেই টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে এক হাজার টাকা, এবং তপশিলি ও উপতপশিলি দের জন্য করা হয়েছে ১হাজার থেকে ১২ শো টাকা। এর সাথেই তিনি পরিসংখ্যান দিয়ে জানান আপনাদের এ জেলায় ৫৭ হাজার ৪৭৫ জন একশো দিনের শ্রমিককে ১৮ কোটি টাকা বকেয়া মিটিয়েছেন, আর তার সাথেই রেশনসহ আরো নানান বিষয়ে যে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ হয়েছে তা নিয়েও বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন সূর্যের আলো কে যেমন রোখা যায় না, তেমনি উন্নয়নের অশ্বমেধের ঘোড়া কে কখনো থামানো যাবে না। এই বলে তিনি উদাহরণ দিয়ে দাবী করেন,২০১৪-২০২২ এই লোকসভায় বাবুল ছিলেন সাংসদ। আর সেই সময় মোদি বলেছিল মুঝে বাবুল চাহিয়ে। এরপর ২০২২ এ মোদির গ্যারান্টিতে বিশ্বাস করেনি বাবুল,সে আমাদের দলে নাম লিখিয়েছে। উপযুক্ত সম্মান দেওয়া হয়েছে তাকে।একসাথে তিনি দাবি করেন,
প্রধানমন্ত্রী সভা করে বলেছে,এটা শুধু ট্রেলার দেখিয়েছি, তাহলে বুঝুন ১০ বছরে কিনা তিনি ট্রেলারে দেখলেন, আর এবার কি দেখাবেন তা জনগণ আগেই বুঝতে পেরেছে। তার দাবি পেট্রোল, ডিজেল, গাসের দাম বেড়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে। গরীবের রান্না সামগ্রী, জিরে তে ১৮ শতাংশ জিএটি লাগলেও, হিরেতে নেই জি এফ টি। এই বলে তিনি দাবি করেন বিজেপি ১০ পয়সার বাড়তি উন্নয়ন করেনি ৮ বছরে।প্রায় এক ঘন্টার এই বক্তৃতার পর অভিষেক ব্যানার্জী বলেন খুঁটি পুজা আজ রানীগঞ্জে করে গেলাম বিসর্জনটা যেন ৪ তারিখে হবে। আর বিজয় মিছিলে আবার আসব। এই বলেই তিনি সকলকে আবার হাত নাড়িয়ে রওনা দিলেন হেলিকপ্টারের উদ্দেশ্যে।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *