সৌভিক সিকদার, ফাইনাল এক্সপোজার -:
ঐতিহ্য পাওয়া এবং সেটি রক্ষা করার গুরুদায়িত্বকে মাথায় রেখে ৬ ই মার্চ প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীতে ‘বসন্ত বন্দনা’-র মাধ্যমে পালিত হলো ‘বসন্ত উৎসব’।
শিমুল-পলাশের রক্তিম আভায় সেজে ওঠা প্রকৃতির রংয়ের ছোঁয়া লাগুক সবার মনে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সকাল থেকেই ছিল উৎসবের আবহ। সংগীত ও নৃত্যের মাধ্যমে বসন্তকে বরণ করে নেন বিশ্বভারতীর শিক্ষার্থীরা। গৌর প্রাঙ্গণে তাদের পরিবেশিত নৃত্য উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে।
বিশ্বভারতীর উপাচার্য ড. প্রবীর কুমার ঘোষ বলেন, “বসন্ত বন্দনা শুধু ঋতুর উৎসব নয়, এটি চেতনা, সৌন্দর্য ও রঙের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন। শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য তিনি দর্শকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।’
পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, “প্রায় ১০০ বছর আগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যে নাটক পরিবেশন করেছিলেন, সেটি আজ সকল দর্শকের জন্য মঞ্চস্থ করা হবে”। এখানে রং না খেলার কারণ হিসেবে জানান, বিশ্বভারতী ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তালিকাভুক্ত। তাই ২০২৩ সাল থেকে এখানে রং খেলার আয়োজন করা হয়নি। ঐতিহ্য পাওয়ার সঙ্গে ঐতিহ্য রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব বলেও তিনি মন্তব্য করেন।।


