সুষ্ঠ ভাবে সম্পন্ন হলো শ্যামলা CRC-র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ।। মাঠে পৌঁছালেন জামুরিয়া শিক্ষাচক্র ২ এর অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক

রাকেশ লাহা, জামুড়িয়া, পশ্চিম বর্ধমান :-

শুক্রবার জামুড়িয়া ২ নং চক্রের শ্যামলা CRC- র পক্ষ থেকে শীতকালীন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়। এবছর শাম্যলা সি আর সির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার দায়িত্ব পায় নিমসা প্রাথমিক বিদ্যালয়। খেলাগুলি অনুষ্ঠিত হয়  নিমষা- খোট্টাডিহি- আলিনগর উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে। 

যেখানে ১০ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১টি শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের মোট ২২০ জন পড়ুয়া অংশ গ্রহন করেছিল। 

খেলার মাঠে এদিন পড়ুয়াদের পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অভিভাবকদের উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল দেখার মতো।

পতাকা উত্তোলন, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, শপথ বাক্য পাঠ এবং খেলার মাঠে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের বরণ পরবর্তীতে মূল অনুষ্ঠানটির শুভারম্ভ হয়।  

দৌড় প্রতিযোগিতা  থেকে শুরু করে একের পর এক খেলা যেমন  হাই জাম্প , লঙ জাম্প , জিমন্যাস্টিক, যোগাসন,  আলু দৌড় ইত্যাদি খেলা গুলি ৯ জন বিচারকের তত্ত্বাবধানে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। 

এদিনের শ্যামলা CRC -র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামুরিয়া শিক্ষা চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক দেবজ্যোতি দাস , জামুরিয়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সিদ্ধার্থ রানা, শ্যামলা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান অসিত মন্ডল, অঞ্চল সভাপতি বুধন রুইদাস, লাল্টু কাজী, পান্ডবেশ্বর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক মানব ঘোষ সহ প্রমুখ ।

অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে শ্যামলা সি আর সির শিক্ষা বন্ধু কাজী আক্তার উদ্দিন আহমেদ আমাদের জানান, এবছর  ৩৪টি ইভেন্টে দশটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের মোট ২২০ জন পড়ুয়া অংশগ্রহণ করে শ্যামলা সিআরসির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায়। 

তিনি জানান, আজকের খেলায় যারা প্রথম স্থান অধিকার করবে তারা আগামী দিনে ব্লক স্তরের খেলায় অংশগ্রহণ করবে। 

 পাশাপাশি আক্তার বাবু এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সরকারের কাছে আবেদন রাখেন যে রাজ্য, জেলা এবং ব্লক স্তরের খেলা গুলিতে সরকার যেভাবে আর্থিক সাহায্য করেন সেরকম ভাবে যদি আগামী দিনে  আমাদের পঞ্চায়েত স্তরের খেলা গুলিতেও আর্থিকভাবে সাহায্য করতেন তাহলে আমরা খুবই উপকৃত হতাম।

অন্যদিকে খেলার মাঠে উপস্থিত জামুরিয়া শিক্ষা চক্র দুই এর অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক দেবজ্যোতি দাস জানান, শ্যামলা অঞ্চলের প্রাথমিক এবং শিশু শিক্ষা কেন্দ্র গুলি  পড়াশোনার দিক থেকে যেমন এগিয়ে রয়েছে,  তেমনি খেলাধুলায় তাদের অংশগ্রহণও চোখে পড়ার মতো।

 এছাড়াও তিনি জানান, সারা বছর ধরে পড়াশোনার পাশাপাশি বিদ্যালয় গুলিতে সক্রিয়ভাবে খেলাধুলা চলতে থাকলে আগামী দিনে তার ফল খুবই ভালো হবে।।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *