স্বাধীনতা তুমি এই বাংলায় আসো

মৃগয়া পাণ্ডে (বাংলাদেশ)

ফাগুনের প্রথম প্রাতে জখমে রক্তাক্ত শব্দেরা,
পলাশের দলের মতো যেনো ফোঁটা ফোঁটা রক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে,
আঁশটে গন্ধের মতো বাতাসে লাসের ঘ্রাণে ভারী হয়ে উঠেছে।
কারণ;
গোটা বাংলা আত্মচিৎকার করে স্বাধীনতা চাইছে!
ভগ্নস্তুপের পাশে অপেক্ষারত ক্ষুধার্ত কুকুরের মতো চিৎকার করে বলছে
স্বাধীনতা এই বাংলায় আসো।
গুচ্ছ গুচ্ছ রক্ত করবীর তোড়ায় একটা স্বাধীন সোনালি সূর্য নিয়ে আসো।
ডালিম ফুলের শোভিত আভা নিয়ে
স্বাধীনতা তুমি এই বাংলায় আসো।
দীনেশের রক্তাক্ত আভায় রক্ত বাদলের
বৃষ্টি ঝরিয়ে
তুমি এই বাংলায় আসো।
মিছিলের অগ্রভাগের সারিতে তাজা ছাত্রের বিনিময়ে
পোষ্টার প্লেকার্ড উপর কত রক্তের দাগ বিনিময়ে
রাজপথ রক্তের গলিতে লোহিত সাগরের হয়ে যাওয়ার বিনিময়ে
নাকি মেহেদী পাতার রং বোনের হাতে ফিকে করে দিয়ে
তুমি এই বাংলায় আসতে চাও?
বিধবার সাদা ছেঁড়া মলিন পরিধেয় হয়ে আসতে চাও,
বৃদ্ধ অশক্ত পিতার কাঁধের কফন বন্দী হয়ে কি
তুমি এই বাংলায় আসতে চাও?
ফাগুনের প্রথম প্রাতে জখমে রক্তাক্ত শব্দেরা,
পলাশের দলের মতো যেনো ফোঁটা ফোঁটা রক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে,
আঁশটে গন্ধের মতো বাতাসে লাসের ঘ্রাণে ভারী হয়ে উঠেছে।
কারণ;
গোটা বাংলা আত্মচিৎকার করে স্বাধীনতা চাইছে!
ভগ্নস্তুপের পাশে অপেক্ষারত ক্ষুধার্ত কুকুরের মতো চিৎকার করে বলছে
স্বাধীনতা এই বাংলায় আসো।
গুচ্ছ গুচ্ছ রক্ত করবীর তোড়ায় একটা স্বাধীন সোনালি সূর্য নিয়ে আসো।
ডালিম ফুলের শোভিত আভা নিয়ে
স্বাধীনতা তুমি এই বাংলায় আসো।
দীনেশের রক্তাক্ত আভায় রক্ত বাদলের
বৃষ্টি ঝরিয়ে
তুমি এই বাংলায় আসো।
মিছিলের অগ্রভাগের সারিতে তাজা ছাত্রের বিনিময়ে
পোষ্টার প্লেকার্ড উপর কত রক্তের দাগ বিনিময়ে
রাজপথ রক্তের গলিতে লোহিত সাগরের হয়ে যাওয়ার বিনিময়ে
নাকি মেহেদী পাতার রং বোনের হাতে ফিকে করে দিয়ে
তুমি এই বাংলায় আসতে চাও?
বিধবার সাদা ছেঁড়া মলিন পরিধেয় হয়ে আসতে চাও,
বৃদ্ধ অশক্ত পিতার কাঁধের কফন বন্দী হয়ে কি
তুমি এই বাংলায় আসতে চাও?
শূন্য মায়ের বুকের আগুনের দগদগে লেলিহান শিখার দাবানল হ’য়ে তুমি আসতে চাও?
প্রনয়ের অপেক্ষারত বধূর দুর্ভাগ্য হয়ে
তুমি এই বাংলায় আসতে চাও,
শহরে গ্রামের রিক্সাওয়ালা কৃষকের ঝলসিত দেহের উপর দিয়ে তুমি আসতে চাও এই বাংলায়?
বর্বর আগুনে মন্দির মসজিদ বসতভিটে
পুড়িয়ে যদি আসতে চাও এই বাংলায় আসো
ভাইয়ের চিতায় হাসি মুখে অগ্নি দেবো,
তবু স্বরবর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণকে শ্মশান চিতার কাষ্ঠে দাহ হতে দেবো না।
ফসলের যৌবন উদ্দাম নিয়ে
হে স্বাধীনতা তুমি এই বাংলায় আসো।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *