৫০০ বছরের প্রাচীন দুর্গাপুজোয় মেস এবং মহিষে বিয়ের রীতি

রক্তিম সিদ্ধান্ত: মুর্শিদাবাদ:-

হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন নবমীর দিন ভেড়ার সঙ্গে মহিষের বিয়ের রীতি চলে আছে যুগ যুগ ধরে এই বাড়িতে, জানে কোথায় এই বিশেষ রীতি রয়েছে, জানতে হলে চোখ রাখুন আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদন, দুর্গাপুজোর নবমী তিথিতে জয়গাভেদে বিভিন্ন রীতি রয়েছে তবে এই বাড়ির রীতি একটু অলেদা, এখানে মেস অর্থাৎ ভেড়ার সঙ্গে মহিষ মনে ওই আরজি মোসের বিয়ে হয় পরে তাদের দুজনকে বলিদানের দেবার রীতি চলে আসছে প্রাচীনকাল থেকে।
এই রীতি অন্যকোথাও নয় আপনার জেলা মুর্শিদাবাদ জেলাতেই হয়, হ্যাঁ নবাবের এই জেলার দুর্গাপুজোয় এমনই এক রীতি চলে আসছে, জানাযায় মুর্শিদাবাদ জেলার জজান গ্রামের সিংহ পরিবারে এই রীতি দুর্গাপুজোর সূচনাকাল থেকে চলে আছে আজো, এই পুজো কবে কে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল সেই নিয়ে নানান মতভেদ থাকলেও ভেড়ার সঙ্গে মহিষের বিয়ের রীতি আজো ধর্বায়িক ভাবে চলে আসছে, এই পরিবারের এক সদস্য বিট্টু সিংহ জানান “এই বাড়িতে মেসের সঙ্গে মহিষের বিয়ে দেবার পর মেস এবং মহিষকে বলিদানের করার রীতি রয়েছে” তিনি আরো জানান এই দুর্গাপ্রতিমা চতুর্ভূজা এখানে মা স্বপরিবারে আসেন না, তিনি একাই সিংহবাহিনী মহিয়াসুরমর্দিনী রূপে আবির্ভূত হন। নবমীর দিন মেস এবং মহিষ বলি দেখতে ব্যাপক ভিড় সাধারণ মানুষের। পরিবারের আরো এক সদস্য গৌরাঙ্গ সিংহ জানা “এই বাড়ির পুজো কে কেন্দ্র করে পরিবারের সকলে একত্রিত হন এবং উৎসবের দিন গুলি আনন্দের সঙ্গে কাটান সবাই এক সঙ্গে, এই বাড়ি মেস এবং মহিষের বিয়ের রীতি নাকি বারির অন্যতম ঐতিহ্য” তিনি আরো জানান বলিদানের সময় গ্রামের প্রত্যেক দুর্গাপূজা মন্ডপ এবং মন্দ্রের ঢাক এই বাড়িতে আসে এবং বলিদানের শেষে সব ধক গ্রাম পরিক্রম করে। সব মিলিয়ে আনন্দের সঙ্গে সকলে একত্রিত কয়ে পুজো কাটনা জজান সিংহ বারির সদস্যরা।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *