মূল্যহীন অভিমান
অনন্যা হালদার (মুকুন্দপুর, কলকাতা) জোর করে ভুলে থাকার যন্ত্রণা চেপে রাখার লড়াইটা থেমে গেলে হয়তো ভুলেই যাবো তাকে। ভুলে
অনন্যা হালদার (মুকুন্দপুর, কলকাতা) জোর করে ভুলে থাকার যন্ত্রণা চেপে রাখার লড়াইটা থেমে গেলে হয়তো ভুলেই যাবো তাকে। ভুলে
সোমা নায়ক (যাদবপুর, কলকাতা) একটা মেয়ে লিখল আকাশদুঃখ ভুলে, হেসেশুধু তোমায় ভালোবেসে। আঁকল পাহাড়, সাজলো মাটিশীতল দিনের ত
মালবিকা পাণ্ডা (ডিরোজিও নগর, পূর্ব মেদিনীপুর) খুব কষ্ট হয় যখন আমার শরীরহইতে একটা একটা করিয়াঅঙ্গ কাটিয়া লয়।আমি কি এতই
সঙ্গীতা মুখার্জী মণ্ডল (খাঁটপুকুর, পশ্চিম বর্ধমান) মেলামেশা বন্ধ হলেও যোগাযোগ টুকু থাকধুলোর মতো মিশে যাক বোঝাপড়াহারিয়ে
মধুমিতা দে (ডোমজুড়, হাওড়া) ভালোবাসার ভাষা যখন বাংলা হয়,বুকের ভিতর স্রোত খেলে যায়..দ্বার ভেঙে যায়…ছন্দহীনা, ছন্নছাড়া মাতা
অদিতি চক্রবর্তী (কলকাতা) হাতের মুঠোয় কন্যে সেদিন তোর ছিলনা দিনরাত্রি কঠিন আস্তরণে গহন চেনার ঋণঅগ্নিশিখায় বুকে কিছু উল্কি
সোমেন চ্যাটার্জ্জী (কলকাতা) কেমন আছো বৃষ্টি তুমি?গোমড়া মুখে দেখছো টা কি,আসবে বলে এলে না তোপার্লারেতে, লেট হল কি। গাছের
রাণু মজুমদার (ব্যাঙ্গালোর) “এই শহরে আবার যদি দেখা হয় আমাদেরআমরা অপরিচিত থাকবো” একটা দিন থাক সূর্যের আলোয় আলোকিত হয়েএক
কবিতা দাস (দূর্গাচক, পূর্ব মেদিনীপুর) চুপ থাকলেই সুখের ঠিকানাএমন যদি ভাবিস তু্ইনির্যাতনের শেষ সীমানাইপিঠ ঠেকলে করবি কি?
টুম্পা পাল (উত্তরপাড়া, হুগলী) আমি সস্তা কবি রাত্রি জেগেনষ্ট করি ঘুম।কবিতা আমার ঘটি গরম,সেটাই বেচার ধুম। পান্ডুলিপির পাতা
সোমা চ্যাটার্জী (কলকাতা) এক পশলা বৃষ্টি,আমার শরীরটাকে ভেজায়।মনটাকে কি ভেজাতে পারে? ছোটবেলায় মা যখন বলত,বৃষ্টিতে ভিজতে ন
সোমা ঘোষ (কলকাতা) "পাষাণ হৃদয় তাই আজও গলেনি"… মিষ্টি বাতাস, গন্ধরাজের গন্ধে চারিদিক বিভোর, যেন এক অদৃশ্য সৌন্দর্যময় অন