কৃষ্ণকলি কৃষ্ণা (কলকাতা)

কিশোর কাল পেরিয়ে ছিলেম আঁকড়ে মায়ের আঁচল
ঘুলঘুলিতে চড়ুই সংসার খড় ছড়ানো নোংরা মেঝে
বড় হলুম তোর্সা দিদির ভুবণ ভোলা হাসি
ভেজানো নিচোল
টের পেয়েছি বড়ো হয়েছি একটা দাড়ি গোঁফে সেজে।
প্রথম চুমু চিলে কোঠায় বসন্ত আনে তন্বী নামের মেয়ে
সারাদিনের ব্যস্ত শহর সকাল থেকে সাঁঝে
ক্লান্তি আসে
ভাবার নেই অবকাশ কর্ষণেই সম্পদ তবেই আসবে ধেয়ে
প্রীতিডোরে বাঁধন নাকি চাওয়া পাওয়া হিসেব বারো মাসে।
শাপলা শালুক নদী পেরোয় সবুজ হলুদ বিন্নী ধানের মাঠ,
বন্ধু স্বজন ফুটবল ক্রিকেট ক্যাফে কিংবা পাপড়ি চাট
এখন লড়াই জারি মনেই দাবানল চাইনি
আমি হাট
তাই কোনো গল্পই নতুন নয় বুঝি রাস্তা থেকে খাট।।
