​বরাকরে ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর, তিরঙ্গা যাত্রায় দেশাত্মবোধের মহোৎসব

​বরাকরে ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর, তিরঙ্গা যাত্রায় দেশাত্মবোধের মহোৎসব

রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, ফাইনাল এক্সপোজার -: 

      বাঙালির মজ্জায় মিশে আছে দেশপ্রেমের মন্ত্র ‘বন্দে মাতরম’। এই কালজয়ী সৃষ্টির সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষ্যে এবিভিপি-র উদ্যোগে আসানসোলের বরাকরে আয়োজিত হলো এক বিশাল তিরঙ্গা যাত্রা। দেশাত্মবোধের জোয়ারে ভাসল গোটা শিল্পাঞ্চল। কয়েক হাজার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ​সমগ্র রাজপথ জুড়ে দেশপ্রেমের জোয়ার বয়ে যায়।

​       বারাকর স্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে এই বর্ণাঢ্য মিছিল শুরু হয়। অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল প্রায় ৩০০ ফুট দীর্ঘ জাতীয় পতাকা। বিশাল সেই তিরঙ্গা যেন ঐক্য ও দেশপ্রেমের প্রতীক হয়ে ওঠে । ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে এলাকা। দেশাত্মবোধক গানের সাথে সাথে ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার পরিবেশকে আরও গম্ভীর ও আবেগঘন করে তোলে।

       ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি ‘বন্দে মাতরম’ সঙ্গীতটি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল মন্ত্র ছিল। উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়  সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষ্যে বর্তমান প্রজন্মের কাছে সঙ্গীতটির গুরুত্ব এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরতেই এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।

       এদিনের যাত্রায় শুধুমাত্র রাজনৈতিক বা সামাজিক সংগঠন নয়, সাধারণ স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। বারাকরের এক প্রবীণ ব্যক্তি আবেগঘন গলায় বলেন,”বন্দে মাতরম কেবল একটি গান নয়, সাধারণ মানুষের আবেগ। ১৫০ বছর পরেও এই গানের আবেদন এতটুকু কমেনি আজকের ভিড়ই তার প্রমাণ।”

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *