চাঁদের শহর

রীতিশা পাল (বনগাঁ, উত্তর চব্বিশ পরগণা) এক বুক খিদে নিয়ে পার করে চলেছিনদীর মতন কবিতার ভাঙা পাড়,দূর কোনও…

খোলা আকাশ

গীতা বণিক দত্ত (চুঁচুড়া, হুগলী) তুই যে আমার খোলা আকাশতুই তো বাঁচার অক্সিজেন,তোর সাথে তে জীবন আমারসাত জন্মের…

হারানো দিন

শুভা রায় (কলকাতা) দিগন্তরেখা ছুঁয়ে আছে আমার গাঁয়ের যে সোনালী ক্ষেত..কতদিন আমার ছোঁয়া হয়নি তাকে ! সেই মেঠো…

ভাঙাচোরা ঘর

অনন্যা চক্রবর্তী (কলকাতা) ভাঙাচোরা ঘর আমারতাই- রোদ ঝড় জল আটকায় না কিছুই-প্রখর তাপে পুড়ছি-পুড়ে ছাই হচ্ছি!ঝড়ের দাপটে ধূলি…

শব্দ নিয়ে খেলি

ছবি বিশ্বাস (সুবর্ণবিহার, নদীয়া) কখনো ভাবুক কখনো আক্রোশকখনো চুপচাপ শান্ত মিতভাষী ,কখনো চঞ্চল নাচে মন ধা ধিনকখনো ভারি দুঃখী…

“নিশিপদ্ম”

রাকা ভট্টাচার্য্য (কলকাতা) ধূসর পাহাড়ের শেষ ঢালে সবে ঘুমাতে যাওয়া সূর্যআমি তাকে ছুঁতে যাই বুকের সিঁড়ি বেয়ে বেয়ে।ঘুম…

পরিযায়ী

সঙ্গীতা কর (কলকাতা) প্রত্যেকবার পুজো এলেই মেয়েটা অপেক্ষা করেএকটা নতুন জামার জন্যবছরে একবারই একটা নতুন জামাতারপর সেটা টিনের…

আলোয় ফেরা

চৈতী চ‍্যাটার্জী (কলকাতা) নদীর মতো বহমানতা চেয়েছিলাম শুধু,আমি এক ছোট্ট গাঁয়ের নিছক গৃহবধু। জন্ম থেকেই পরিচিতি ছিল পিতার…

কার মিলন চাহ বিরহী

মৌসুমী মুখার্জী (খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর) তুমি বললে আগুন রঙে সাজো, কমলিকা,আমি সাজতে চেয়েছিলাম, কৃষ্ণচূড়ার রঙে,সাজের অনুষঙ্গ চাইতে চাইতে,তুমি…