আসানসোল ✍ Final Exposer

আসানসোলে সম্পন্ন হলো দিশারী বার্ণপুরের ২৩তম নাট্যমেলানাট্যমোদী মানুষের ঢল, তিন দিনে মঞ্চস্থ ১২টি নাটক

আসানসোল, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:-শিল্পাঞ্চল আসানসোলের সাংস্কৃতিক মানচিত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত নাম ‘দিশারী বার্ণপুর’। সম্প্রতি আসানসোল রবীন্দ্রভবনে সংস্থাটির উদ্যোগে সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হলো দিশারী বার্ণপুরের ত্রয়োবিংশতিতম (২৩তম) নাট্যমেলার দ্বিতীয় পর্যায়ের তিনদিনব্যাপী নাট্যোৎসব। ৩০ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলা এই উৎসবকে কেন্দ্র করে নাট্যপ্রেমী দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

প্রথাগত প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে নাট্যমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিল্পপতি শচীন্দ্রনাথ রায়, রানিগঞ্জের বিধায়ক ও নাট্যানুরাগী শ্রী তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব শ্রী তাপস দত্ত, সঞ্জয় দাসগুপ্ত, শ্রী সমীর দত্ত এবং শ্রী সুবীর রায়।

উৎসবের তিন দিনে পশ্চিমবঙ্গ ও রাজ্যের বাইরের মোট ১২টি বৈচিত্র্যময় নাটক মঞ্চস্থ হয়। নাটকগুলির বিষয়বৈচিত্র্য, অভিনয় ও মঞ্চসজ্জা দর্শকদের মুগ্ধ করে। মঞ্চস্থ নাটকগুলির মধ্যে ছিল নো,  (দিশারী বার্ণপুর), ছেমরি, মহাপ্রস্থানিক পর্ব, সুখের চাবি, ফিটিং, নো অপশন, হ্যান্ডেল উইথ কেয়ার, মানব বোমা, বিষমূল, খুন হওয়ার পর, ভৌতিক এবং মেলাবেন তিনি মেলাবেন।

নাট্যমেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল গুণীজন সংবর্ধনা। নাট্যজগতে বহুমুখী অবদানের জন্য বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব শ্রী সুবীর রায় ও সঙ্গীতশিল্পী শ্রী তারক চট্টোপাধ্যায়কে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাঁদের হাতে স্মারক তুলে দেন বিধায়ক শ্রী তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় ও নাট্যব্যক্তিত্ব শ্রী সমীর দত্ত।

দর্শকদের মতে, এই ধরনের নাট্যোৎসব শিল্পাঞ্চলের সাংস্কৃতিক চেতনাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। আয়োজক সংস্থা দিশারী বার্ণপুরের পক্ষ থেকে সোমনাথ মুখার্জী জানান, নাট্যসংস্কৃতির এই ধারাকে আগামী দিনেও আরও বৃহৎ পরিসরে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারে তাঁরা বদ্ধপরিকর।

F

Final Exposer

Final Exposer এর রিপোর্টার