জেলার আপডেট ✍ Final Exposer

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন: সোনারপুরে বিডিও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি

রমেশ রায়: কলকাতা:- দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর অঞ্চলে একজন দীর্ঘদিনের ভোটারের নাম চূড়ান্ত খসড়া নির্বাচন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিম্মল কুমার ভট্টাচার্য নামক একজনের স্ত্রী চৈতালী ভট্টাচার্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন জমা দিয়ে বলেছেন যে, তার স্বামীর নাম অন্তর্ভুক্তি না করার পিছনে স্থানীয় ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার (বিডিও) অফিসের কর্মকর্তাদের অসদাচরণ এবং বৈষম্যমূলক আচরণ দায়ী। এই ঘটনা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ বাড়িয়ে তুলেছে।

চৈতালী ভট্টাচার্যের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তার স্বামী নিম্মল কুমার ভট্টাচার্য ১৯৯৫ সাল থেকে একজন স্বীকৃত ভোটার। তাদের স্থায়ী ঠিকানা হল গাজীপাড়া রোড ইস্ট, ওয়ার্ড নং ৩, সোনারপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা। এনটিপিসি-টিএইচডিসি (এনটিপিসি থার্মাল হাইড্রো ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন)-এ চাকরির কারণে গত ২৩ বছর ধরে তার স্বামী চাকরির স্থানে অবস্থান করছেন। কিন্তু এই অস্থায়ী অনুপস্থিতি তার স্থায়ী বাসস্থান বা ভোটার হিসেবে যোগ্যতাকে প্রভাবিত করে না। বর্তমান নির্বাচন তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত থাকার কথা সত্ত্বেও, চূড়ান্ত খসড়ায় তার নাম নেই।

আবেদনকারী জানিয়েছেন, বিডিও অফিসে আবেদন করার সময় কর্মকর্তারা অসহযোগিতা করেছেন এবং বৈষম্যমূলক আচরণ করেছেন। "আমরা বারবার আবেদন করেছি, কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি। এটি আমাদের মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন," চৈতালী ভট্টাচার্য বলেছেন। তারা জেলা প্রশাসনের কাছে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এবং নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে নাম অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন এখনও এই বিষয়ে কোনো সরকারি বক্তব্য দেননি। স্থানীয় নির্বাচন অফিসাররা জানিয়েছেন যে, খসড়া তালিকা নিয়ে আপত্তি জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হয়ে গেলেও বিশেষ ক্ষেত্রে সংশোধন সম্ভব। এই ঘটনা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্থানীয়দের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য প্রশাসনের আরও সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। স্থানীয়রা আশা করছেন যে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের হস্তক্ষেপে এই সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে।

F

Final Exposer

Final Exposer এর রিপোর্টার