নীহার চক্রবর্তী (বেথুয়াডহরি, নদীয়া)

মৃত্যু মৃত্যুই
আর তেমন ভাবায় না
রবি ঠাকুরের কাছে সে রসদ পেয়ে গেছি
সেই কবে পড়তে পড়তে পড়াতে পড়াতে।
কিন্তু সে মৃত্যুঘাত যদি আকাশের বুকও চৌচির করে
হঠাৎ করে বৃষ্টির নামান্তরে মুষল ঝরে বুকে
তখন কি আর তাকে সাধারণ কিছু মনে হয়?
তারপর সে যদি ধর্মের কারণে হয়?
কেউ এক গল্পটা মানে না
অন্য গল্প বুকে ধরে
গল্প থেকে গল্পান্তর।
হোক না; তাতে ক্ষতি কী?
গল্প-কাহিনি তো বই নয়।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিচ্ছেদটাই সয় না
ভুলভাল; শুধু ভুলভাল ব্যাপারে একজনকে মেরে
আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া?
তাতেও কি খুনির গল্প মাহাত্ম্য পায়
সবার বুকে ঠাঁই হয়?
হয় না তো আমি জানি
জানে না ওই যারা গল্পকে মনে করে
জীবনের চেয়ে; হৃদয়ের চেয়ে বড় কিছু
কীভাবে বোঝাই তাদের?
তাই এখানে এক দীপ নেভে
অন্যত্র আরও কত দীপ নিভে অন্ধকার আরও গাঢ় হয়।
সভ্যতার গতিমুখের অগস্থ্যযাত্রা হয়।