অনন্যা হালদার (মুকুন্দপুর, কলকাতা)

আচ্ছা ধরো হঠাৎ কোনো এক ভোরে তোমার কাছে চলে গেছি, রাতে খুব-জোর বৃষ্টি হয়েছে, ভোর হলেও তুমি ঘুমে বিভোর। আমি নানান কসরতে তোমাকে জাগানোর চেষ্টা করছি। লম্বা ঘুমের পর চোখ খুলেই আবছা আবছা দেখতে পাচ্ছ আমাকে।
ভেজা চুল, পরনে তাঁতের শাড়ি, চায়ের কাপ হাতে তোমার সামনে দাঁড়িয়ে আছি। তুমি যেন দেখেও না দেখার ভান করে ঘুমাচ্ছো। আমি তোমার মাথার পাশে বসে কাঁধে পিঠে হাত বুলিয়ে জাগানোর চেষ্টা করছি কিন্তু তুমি ঘুমাচ্ছো।
তারপর মাথার চুলগুলো টেনে দিচ্ছি, আঙুল দিয়ে চোখ খোলার চেষ্টা করছি, তোমার নাকের সাথে আমার নাক ঘষে দিচ্ছি আর বাচ্চাদের মতো দুষ্টুমি করেই যাচ্ছি তবুও তুমি ঘুমাচ্ছো। অতঃপর তোমর ঠোঁটের মাঝখানে কষে একটা চুম্বন এঁকে দিলাম।
চুম্বনের উষ্ণতায় জেগে উঠলে তুমি, বাহুডোরে জড়িয়ে নিলে আমাকে। আমি তোমার চোখে চোখ রেখে বললাম — ভালোবাসো আমাকে ? তখন কী বলবে তুমি? ফিরিয়ে দেবে, না কি প্রত্যুত্তরে বলবে — খুব খুব ভালোবাসি তোমাকে।