রাকা ভট্টাচার্য্য (কলকাতা)

ভুল থেকে ভেঙে পরাজয় শেষে
ভুলেরই মাস্তুল, তবুও বিজয় ধ্বজা ওড়ে
বৈশালী স্কন্ধে, বক্ষ নিবিড়ে হিমালয় প্রেম নিয়ে
অবিকল আমার ই মত কোনো প্রেম শুষে নেওয়া প্রেত
রূপবতী অন্ধকারে নিঃস্ব হয় প্রতিশ্রুতির উল্লাসে…
তুমি নামে প্রকাশিত প্রেমিক ভোরের মালা নিয়ে
এসো কুঞ্জবনে, চামেলী উদ্যানে প্রথম বৈশাখী মৃদু
চঞ্চল মলয়ের সাত কিন্নর মোতি মালা এনো তোমার
মতিভ্রমী প্রেমিকার মতিঝিল আঁচল বেঁধে নিতে..
জানোতো, শেষ চৈত্রের যখন তখন উদার ঝড়ে
ঝরে যেতে পারে পিয়াসী হৃদয় নক্ষত্র নিঃস্ব
একেবারে …, একেবারেই নিঃশেষ নির্মম
আদুরে দহনে ….
না থাক, প্রেমিকার কখনই প্রণয় গৌরব
খুঁজতে নেই…., পদ্মাপাড়ে কাঁখ উজাড় কলসীর
কলোরোল গল্পে পদ্মা নদীটির কী যায় আসে!
অথবা দূর বহুদূর মাঝগাঙ ছেড়ে যাওয়া মাঝিটির
দরদীয়া সুরে কোন্ নদীবুক কতটা ঘুঙুর নাচে
তা কি মাঝি জানে? নাকি বয়ে যাওয়া স্রোত জানে?
কতটা আড়াল হলে প্রেম গাঢ় থেকে গাঢ়তর
হয় শুধু নারী জানে…
নেমে এসো অন্ধকার, এসো দামাল তরুণ ঝড়
আরো ঘন সঘন ঝাপট বুকে… এসো প্রলয়
উন্মাদ… অবিরল দহনে এসো আরো আরো ঘোর
বজ্রপাত, বলো শেষ বসন্তের সুষমা খুঁজবে কি তুমি
হে দীপ্ত বিদ্যুৎ তনয়?
হো-হো উল্লাসে এক বুক ঘোর চৈত্র শ্মশানে
এনে দেবো অবিনাশী অধিকার নশ্বর শরীরে…
এসো ; পরাজিত অবিচল প্রেম… বারংবার এসো
নারীর অপরাজেয় বৈশাখী দহনে……