রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, ফাইনাল এক্সপোজার -:
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর বৃহস্পতিবার বিকেলে দুর্গাপুরের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে নিজের প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সভায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্য অগ্নিমিত্রা পাল, দিলীপ ঘোষ সহ পাঁচ মন্ত্রী, ৫০ জন বিজেপি বিধায়ক, দুই সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ও জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো এবং রাজ্যের উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকরা।
বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগের সরকারের মতো সরকারি তহবিলের অপচয় না করে অত্যন্ত মিতব্যয়ীভাবে এই সভা আয়োজিত হয়েছে। তিনি জানান, রাজ্যের সব জেলাতেই এমন সমন্বয় বৈঠক হবে। মুখ্যমন্ত্রী আক্ষেপের সুরে বলেন, সব বিধায়ককে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বিরোধী দল তৃণমূলের সাত বিধায়ক বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন।
ডাবল ইঞ্জিন সরকারের লক্ষ্য জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণকে উন্নয়নের নাটক না দেখিয়ে বাস্তবমুখী প্রকল্পই রূপায়ন করা হবে। ডিভিসি থেকে জল ছাড়ার ফলে বন্যা মোকাবিলায় ইতিমধ্যে কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং রাজ্যকে পাঁচটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। এছাড়া, শিল্পাঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সিন্ডিকেট-তোলাবাজি বন্ধ করাই সরকারের অগ্রাধিকার। বীরভূমের পাথর খাদান থেকে রাজস্ব আয়ের উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে রাজস্ব আদায় বহুগুণ বেড়েছে। বালিঘাটগুলিতেও নজরদারি বাড়িয়ে বালির দাম বেঁধে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। স্বচ্ছতা ও উন্নয়নের এই নতুন পথেই রাজ্য এগোবে বলে তিনি জোর দেন।






