বাইজিদ মন্ডল: দক্ষিন চব্বিশ পরগনা:- রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশের পর ব্যাপক বিভ্রান্তি ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে। প্রথম খসড়া তালিকায় অনেক বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়ায় সাধারণ মানুষ এবং কর্মকর্তারা সমস্যায় পড়েছেন।এমনকি মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক,সেনা কর্মীসহ সরকারি আধিকারিকদের নামও খসড়া তালিকায় নেই। এদিকে চলছে এস আই আর এর শুনানি,সেখানে বিভিন্ন জেলায় মানুষ এসআইআর-এর নামে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় হেনস্থার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে নামে। এদিকে চলছে এস আই আর এর শুনানি,সেখানে অভিযোগ রয়েছে বহু মানুষকে অযথা হয়রানি করা হচ্ছে,এই নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় চলছে ক্ষোভ বিক্ষোভ। এদিন মগরাহাট পশ্চিম ব্লক তৃনমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে,ব্লক যুব সভাপতি ইমরান হাসান মোল্লার নেতৃত্বে,মগরাহাট ১ নম্বর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মগরাহাট পশ্চিম ব্লক পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তৌফিক আহমেদ মোল্লা,একতারা অঞ্চল সভাপতি সঞ্জীব মন্ডল সহ ব্লকের আরো অন্যান্য নেতৃত্ব প্রমুখ। তারা হাতে প্ল্যাকার্ড ও জাতীয় পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ করেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, একাধিকবার শুনানির নোটিশ আসায় সাধারণ মানুষ সমস্যার মধ্যে পড়েছেন। যুব সভাপতি ইমরান হাসান মোল্লা বলেন, বিজেপি নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে বৈধ ভোটারদেরকে হিয়ারিং এর নামে হয়রানির করে নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভায় বহু মানুষের কাছে হিয়ারিং নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বিশেষ করে যাদের একাধিক সদস্য তাদেরকে হিয়ারিং এর নোটিস পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু দেশের প্রধান মন্ত্রীর ৬ ভাইবোন তাহলে,তাকেও কি হিয়ারিং এর নোটিস পাঠানো হয়েছে,নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্ন?। সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পরেও কেন মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার একটা চেষ্টা করে যাচ্ছে বিজেপির দালাল নির্বাচন কমিশন,তারই প্রতিবাদে এই অবস্থান বিক্ষোভ। এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে আগামী দিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন যুব সভাপতি।
Posted inজেলার আপডেট