শিবরাত্রিতে পুজো দিতে বহুভক্তের সমাগম আসানসোলের চন্দ্রচুড় মন্দিরে

সংবাদদাতা: আসানসোল:- শীবরাত্রির দিন সকাল থেকেই আসানসোলের চন্দ্রচুড় মন্দিরে ভক্তদের ভীড়।এদিন দূর দূরান্ত থেকে ভক্তদের সমাগম হয়েছে এই মন্দিরে।শিবরাত্রি উপলক্ষে মন্দিরে রয়েছে বিশেষপুজো অর্চনা।
দিনের সাথে রাতভর চলবে মন্দিরে পূজা পাঠ।এই পুজো উপলক্ষে মন্দিরের বাইরে বসেছে মেলা।রাতভর ভক্তের সমাগম থাকে মন্দিরে, চলে পূজা অর্চনা। আজকের দিনে একইরকম দৃশ্য দেখা যায় আসানসোলের চন্দ্রচুড় মন্দিরে।এই দিনেই সন্তানদের মঙ্গল কামনায় করা হয় শিবরাত্রি পূজা।ভক্তরা প্রার্থনা করেন যেন সব বাধা অতিক্রম করে মঙ্গলময় পথের অভিযাত্রী হতে পারি।


মহাশিবরাত্রির মাহাত্ম্য:- মহাশিবরাত্রিকে শিব ও পার্বতীর মিলন তিথি হিসেবে মনে করা হয়। এই দিনে উপবাস ও শিবপূজা করলে সমস্ত পাপ ক্ষয় হয় এবং সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি আসে বলে বিশ্বাস করা হয়। যাঁরা নিষ্ঠা ও ভক্তির সঙ্গে শিবরাত্রির ব্রত পালন করেন, তাঁরা মোক্ষলাভের সৌভাগ্য অর্জন করেন। মহাশিবরাত্রি শুধুমাত্র উপবাস ও পূজার তিথি নয়, এটি আত্মশুদ্ধির একটি সুযোগ। যারা নিষ্ঠার সঙ্গে মহাদেবের আরাধনা করেন, তাদের জীবনে শান্তি ও সমৃদ্ধি আসে।


“শিবরাত্রির দিন ৩টি বেলপাতা সহ কাঁচা দুধ দিয়ে শিবকে অভিষেক হয় সর্বাপেক্ষা মূল্যবান টোটকা। ক্রিয়াটি করাকালীন মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রটি কমপক্ষে ৩বার বলতে হয়। বীজমন্ত্রটি প্রথমে উচ্চারণ করতে হয়। সেটি হলো “ওম জুম সঃ”-অর্থাৎ বীজ মন্ত্রটি প্রথমে উচ্চারণ করে তারপর মহাদেবের মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রটি উচ্চারণ করবেন।

মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রটি হলো-
“ॐ ত্র্যম্বকং যজামহে সুগন্ধিং পুষ্টিবর্ধনম্। উর্বারুকমিব বন্ধনান্ মৃত্যোর্মুক্ষীয় মাঽমৃতাৎ।।”
এই মন্ত্রের অর্থ হলো, হে ত্রিনয়ন আমাদের জীবনকে সুগন্ধে ভরিয়ে তুলুন ও সকল বন্ধন থেকে মুক্তি দিয়ে আমাদের মৃত্যু হতে অমৃতের পথে নিয়ে যান।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *