শীতার্তের আর্তনাদ

অপর্ণা মুর্মু (বাঁকুড়া)

আর্তনাদ ঘোর আর্তনাদ আর ছায়াচ্ছন্ন বিষাদের যন্ত্রণা
রাতের গভীরতা যেমন বয়ে চলে
হাজার- হাজার আর্তনাদ।

বিছানার ওপর, লেপের তলায় আরাম কেদারায় ঘুমিয়ে আছে শহর
চোখ মেলে তাকিয়ে দেখো কাঁপছে কেমন তোমার দেশ থরথর।

রাতের নির্জন, নিঃস্তব্ধ, নিঃসঙ্গতাকে আলোড়িত করে,
কুয়াশায় স্তিমিত, হিমশীতল জীর্ণ-বিদীর্ণ শরীর প্রহর গুনছে বসে বসে;
কোনো এক গলির ফাঁকে বা শহরতলির ফুটপাতে।

চোখ- মুখে লেগে আছে একরাশ হৃদয়-বিদীর্ণ বিষন্নতার ছাপ,
অতিমাত্রায় শীতের প্রকটে সহ্য করতে হয় বুকে হাজারো ব্যাথা ।

এই কুয়াশামাখা শিশিরস্নাত ঘাসের হিমশীতল সংস্পর্শে,
আলতো পায়ে শিশির ছোঁয়াই, হারিয়ে চলেছি সুদূরে।

শোনা যায়;
রাতের গাঢ় নির্জন, নিঃস্তব্ধ অন্ধকারে তিস্নার্ত, শীতার্ত মানুষের কাতর শীতার্তের আর্তনাদ।

হয়তো সাধ্য নেই মেটানোর শীতার্ত আর্তনাদ,
তবুও যদি পারো তুমি বাড়িয়ে দাও তোমার ওই দুটি হাত;
একটু হলেও কমবে তাহলে শীতার্তের আর্তনাদ।।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *