নীহার চক্রবর্তী (বেথুয়াডহরি, নদীয়া)

আমার নতুন বাড়ির নাম দিয়েছি ‘আনন্দধারা।’
আজ আমার পাশের বাড়ির ভদ্রমহিলা বলল, ‘আমি ভাবছিলাম আনন্দনীড় নাম দিলে কী ক্ষতি হত? পরে ভাবলাম এটাই ঠিক আছে। ওটা তো সাধারণ ব্যাপার। আনন্দের প্রবহমানতাকে আপনি নির্দেশ করেছেন। দারুণ নাম। আর আপনি তো লেখালেখি জগতের মানুষ। অমন নাম হবেই তো।’
বড্ড ভাল লাগল কেউ প্রথম আমাকে লেখালেখি জগতের মানুষ বলে অভিহিত করল। আর সুন্দর মুখে বললে তো তার কোন তুলনা নেই।
হৃদয়জুড়ে তখন সুরের ঝর্না–
‘আনন্দধারা বহিছে ভুবনে
দিনরজনী কত অমৃতরস উথলি যায়
অনন্ত গগনে…’
বাড়ি ফেরার আগে একমুখ তৃপ্তির হাসি হেসে তাকে বললাম, ‘প্রাণ পেলাম, প্রাণ। আরও আলো চাই, আলো। সে হয়ে যাবে। আর একটু প্রতীক্ষা…’
কী ভাবল সে ভাবার সময় নেই তখন। সব ভাবনা গুছিয়ে রাখলাম ভবিতব্যের জন্য।