কৃষ্ণা গুহ (কলকাতা)

“প্রভু তোমার লাগি আঁখি জাগে ,দেখা নাহি পাই
পথ চাই ..সেও মনে ভালো লাগে”।
গুণ গুণ সুরে গাইতেই দাঁড়ালে দুয়ারে এসে নিজস্ব ভঙ্গিতে !! উচ্চকণ্ঠে নয় ,বললে মৃদু হেসে.. “আমার সকল রসের ধারা তোমাতে আজ হোক না হারা “
এ এক ভিন্ন জগতের মিলন কথা, তোমার সারস্বত ব্যক্তিত্ব ,স্বতঃস্ফূর্ত চলন আমায় করেছিল আপ্লুত ।
সীমাহীন ভালোলাগায় কমনীয়তা ছিল ,ছিল আত্মবিশ্বাস!!
তোমার গানের সুরে যখন আকাশে আবির ছড়ায়, পলাশ ফোটে কোপাই নদীর ধারে,
গ্রীষ্মের দাবদাহে নতুন পাতা চামর দোলায়! তোমার
কৃষ্ণকলিরা ধামসা মাদলে তাল তোলে, আমি তখন ডুব দেই” রূপসাগরে অরূপ রতন আশা করে”।
বেলা শেষে যখন ভাঙ্গা মনে একাকিত্ব গ্রাস করে তোমার গানের সুরে অশ্রু ঝরে শান্তির বারি হয়ে।
যতবার তুমি ধ্রুপদী রূপে ধরা দিয়েছো আমি গেয়ে উঠেছি “দাঁড়াওআমার আঁখির আগে তোমার দৃষ্টি হৃদয় লাগে “
পঁচিশে বৈশাখ চন্দ্র-সূর্য দিলো একে একে আলো তাপ ,নক্ষত্ররা কোরলো পুষ্প বৃষ্টি!!
জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে মহাবিশ্বে এক আনন্দময় সৃষ্টি!!
আজও সেই আনন্দে উদ্ভাসিত হই আমরা বারবার !
একসাথে গেয়ে উঠি বিশ্বকবির জন্ম লগ্নে,” হে নূতন দেখা দিক আর বার জন্মের প্রথম শুভক্ষন”।
